বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




ভোলার শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বাঁধা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:45:29 am, Sunday, 12 August 2018
  • 51 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভোলা প্রতিনিধি:ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডে, চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বার বার বাঁধা দিচ্ছে স্থানীয় ভূমিদসু্যুরা। এলাকাবাসীরা জানান, ওই এলাকার মোঃ হাদিসের ছেলে প্রবাসী মাহে আলম রতন পুর মৌজায়, এসএ ১৩৮ ও ১৫৮নং খতিয়ানের ৮শতাংশ জমিতে পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে গত ৫ মাস আগে একটি ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে।

কিছুদিন পূর্বে মাহে আলমের নগদ টাকা ও জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা মৃত আছমত আলী মিয়ার ছেলে মানিক মিয়ার। মানিকের সাথে যোগ দেয় তার ছেলে মনির হোসেন ও বহিরাগত আরো ২ ভূমিদস্যু খলিল হাওলাদারের ছেলে কুদ্দুস হাওলাদার ও কালুমিয়ার ছেলে বশির উদ্দিন। জানাগেছে, গত ৫মাস যাবৎ মাহে আলম তার ঘর উত্তোলনের কাজে প্রায় ২০ লাখ টাকা ইনভেষ্ট করারপর হটাৎ করে উল্লেখিত ৪ ভূমিদস্যু নির্মান কাজে বাঁধা দিয়ে বলে, তারা এখানে জমি পাবে। তারা আরো বলে, সামনের দিকে ঘর উত্তোলনের কাজ করাতে হলে তাদেরকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা প্রদান করতে হবে।

এ ব্যাপারে মাহে আলম গংরা এলাকার গন্যমান্যদের একাধিকবার অবগত করলেও এ পর্যন্ত কোন প্রকার সুফল মেলেনি তাদের ভাগ্যে। অন্য দিকে চাঁদাবাজরা কয়েক দিন পর পর ঘর নির্মান কাজে বাঁধা দেয়াতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্রয় করা ইট, বালু, রড, সিমেন্টসহ লাখ লাখ টাকার নির্মান সামগ্রী। এ ব্যাপারা স্থানীয়রা আরো জানান, মাহে আলমের ঘর নির্মানের স্থানটিতে ইতিপূর্বে সুপারী বাগান ছিল। মাহে আলম গংরা প্রায় ২শত বছর যাবৎ এ জমিটি ভোগ দখল করে আসছে। বর্তমানে এক মাত্র ৫লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে বার বার নির্মান কাজে বাঁধা দিচ্ছে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ভোলার শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বাঁধা

প্রকাশের সময় : 03:45:29 am, Sunday, 12 August 2018

ভোলা প্রতিনিধি:ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডে, চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বার বার বাঁধা দিচ্ছে স্থানীয় ভূমিদসু্যুরা। এলাকাবাসীরা জানান, ওই এলাকার মোঃ হাদিসের ছেলে প্রবাসী মাহে আলম রতন পুর মৌজায়, এসএ ১৩৮ ও ১৫৮নং খতিয়ানের ৮শতাংশ জমিতে পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে গত ৫ মাস আগে একটি ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে।

কিছুদিন পূর্বে মাহে আলমের নগদ টাকা ও জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা মৃত আছমত আলী মিয়ার ছেলে মানিক মিয়ার। মানিকের সাথে যোগ দেয় তার ছেলে মনির হোসেন ও বহিরাগত আরো ২ ভূমিদস্যু খলিল হাওলাদারের ছেলে কুদ্দুস হাওলাদার ও কালুমিয়ার ছেলে বশির উদ্দিন। জানাগেছে, গত ৫মাস যাবৎ মাহে আলম তার ঘর উত্তোলনের কাজে প্রায় ২০ লাখ টাকা ইনভেষ্ট করারপর হটাৎ করে উল্লেখিত ৪ ভূমিদস্যু নির্মান কাজে বাঁধা দিয়ে বলে, তারা এখানে জমি পাবে। তারা আরো বলে, সামনের দিকে ঘর উত্তোলনের কাজ করাতে হলে তাদেরকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা প্রদান করতে হবে।

এ ব্যাপারে মাহে আলম গংরা এলাকার গন্যমান্যদের একাধিকবার অবগত করলেও এ পর্যন্ত কোন প্রকার সুফল মেলেনি তাদের ভাগ্যে। অন্য দিকে চাঁদাবাজরা কয়েক দিন পর পর ঘর নির্মান কাজে বাঁধা দেয়াতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্রয় করা ইট, বালু, রড, সিমেন্টসহ লাখ লাখ টাকার নির্মান সামগ্রী। এ ব্যাপারা স্থানীয়রা আরো জানান, মাহে আলমের ঘর নির্মানের স্থানটিতে ইতিপূর্বে সুপারী বাগান ছিল। মাহে আলম গংরা প্রায় ২শত বছর যাবৎ এ জমিটি ভোগ দখল করে আসছে। বর্তমানে এক মাত্র ৫লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে বার বার নির্মান কাজে বাঁধা দিচ্ছে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।