সংবাদ শিরোনাম:




কঠোর হচ্ছে এসএসসি নীতিমালা, ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:03:41 pm, Thursday, 16 April 2026
  • 68 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ এসএসসি পরীক্ষায় অসদুপায় প্রতিরোধ এবং পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নতুনভাবে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা সরাসরি নকল করতে ধরা না পড়লেও পরীক্ষার হলে আচরণগত অনিয়মের কারণে নীরব বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন। কথা বলা, বারবার ঘাড় ঘোরানো, অন্য পরীক্ষার্থীর খাতা দেখা বা পরীক্ষার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

নীরব বহিষ্কারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জানতে পারেন না। পরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট উত্তরপত্র যাচাই করে তা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বহিষ্কার বা নীরব বহিষ্কারের ঘটনায় পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা করে সংরক্ষণ করতে হবে। কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ অক্ষত রেখে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। পরে প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য উত্তরপত্র থেকে পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

এছাড়া নীরব বহিষ্কারের কারণ বিস্তারিতভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী পরবর্তী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, তবে পরবর্তী সব বিষয়ের উত্তরপত্রও পৃথকভাবে সংরক্ষণ ও জমা দিতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের মতে, এই ব্যবস্থা পরীক্ষার পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখা এবং অসদুপায় নিরুৎসাহিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী-দেবর আটক

কঠোর হচ্ছে এসএসসি নীতিমালা, ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা

প্রকাশের সময় : 12:03:41 pm, Thursday, 16 April 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ এসএসসি পরীক্ষায় অসদুপায় প্রতিরোধ এবং পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নতুনভাবে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা সরাসরি নকল করতে ধরা না পড়লেও পরীক্ষার হলে আচরণগত অনিয়মের কারণে নীরব বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন। কথা বলা, বারবার ঘাড় ঘোরানো, অন্য পরীক্ষার্থীর খাতা দেখা বা পরীক্ষার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

নীরব বহিষ্কারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জানতে পারেন না। পরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট উত্তরপত্র যাচাই করে তা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বহিষ্কার বা নীরব বহিষ্কারের ঘটনায় পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা করে সংরক্ষণ করতে হবে। কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ অক্ষত রেখে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। পরে প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য উত্তরপত্র থেকে পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

এছাড়া নীরব বহিষ্কারের কারণ বিস্তারিতভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী পরবর্তী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, তবে পরবর্তী সব বিষয়ের উত্তরপত্রও পৃথকভাবে সংরক্ষণ ও জমা দিতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের মতে, এই ব্যবস্থা পরীক্ষার পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখা এবং অসদুপায় নিরুৎসাহিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।