২২৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ‘লোপাট হওয়া ভাতা’ উদ্ধার Latest Update News of Bangladesh

সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




২২৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ‘লোপাট হওয়া ভাতা’ উদ্ধার

২২৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ‘লোপাট হওয়া ভাতা’ উদ্ধার




স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তিযোদ্ধাদের তিন কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ‘পুনরুদ্ধার’ করেছে জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। ২৭ ফেব্রুয়ারী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রালয় থেকে প্রেরিত চিঠি জেলা প্রশাসনে এসে পৌঁছে বলে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৬ টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।তিনি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সেই চিঠি আনুষ্ঠানিকভাবে মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোখলেছুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত হোসেন চৌধুরীর হাতে তুলে দেন।

 

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শহিদুল ইসলাম, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জীসহ অন্যান্য আমন্ত্রিতরা।

 

জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান জানান, এই টাকা নিয়ে বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিকসহ সর্বমহলে একটি ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন টাকাটি বিগত সময়ে কেউ আত্মসাত করেছেন। কিন্তু ওই সময়ে নতুন তালিকাভূক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিতভাবে ভাতা প্রদান করতে গিয়ে ৯ মাসের বকেয়া পরে। ওদিকে মন্ত্রনালয়ের বরাদ্দের টাকা ফিরে যায়। ফলে হিসেবের একটি অমিল সৃষ্টি হয়।

 

তবে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসক এসএম আরিফুর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে বরিশালের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য পুনরায় সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এতে করে ২২৪ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমাসে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।

 

প্রসঙ্গত, বরিশালে ৬ হাজার ৪৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতার প্রায় চার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত বরিশাল জেলার মোট ভাতাভোগী ছিলেন ৬ হাজার ২৩২ জন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে আরও ২২৪ জন যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪৫৬। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধারা প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন।

 

২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের জন্য প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার নামে ব্যাংক হিসাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু জমা হয় ১০ হাজার টাকা করে। আর এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত জমা হয় ১৫ হাজার টাকা করে। ফলে না পাওয়া টাকা নিয়ে আপত্তি ওঠে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে।

 

এ নিয়ে জাতীয় একটি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হলে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় টাকা ফিরে পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে মুক্তিযোদ্ধারা।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares