মঠবাড়িয়ায় বিএনপি নেতা ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত করলেন

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:15:43 am, Friday, 9 November 2018
  • 51 সংবাদটি দেখা হয়েছে




মাসুদ রানা: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নুর সাইদ নামে এক বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষকের বিরূদ্ধে ১০ম শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের নলী ভীম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিঙ্ঘান বিভাগের ১০ম শ্রেনির মেধাবী ছাত্রী লিপি আক্তার (১৬) কে অন্যায় ভাবে বেত্রাঘাত করেন । যার ফলে সে মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পরলে মেয়ের বাবা আব্দুল কুদ্দুস গাজী ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শপন কুমার হালদারের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করলে সেখানে কোন সারা মেলেনি। আশাহত হয়ে ২৮/১০/১৮ ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী আফিসার জি ্এম সরফরাজের কাছে অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষনিক লিপির চিকিৎসার ব্যাবস্থা নেন। ডাক্তারি পরিক্ষায় ধরা পরেছে মাথায় বেত্রাঘাতে প্রচন্ড বেইনে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় মাথায় যন্ত্রনা সহ চোখে ঝাপসা দেখছে। চিকিৎসক তাকে চশমা পরার পরামর্শ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কুদ্দুস গাজী অত্র বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য শ্যামল মিত্রের সহযোগিতায় চিকিৎসা ব্যাবস্থা গ্রহন করেন। এক পর্যায় শ্যামল মিত্র নুর সাইদ মাষ্টারকে খরচের টাকা দিতে বল্লে তিনি তার উত্তরে বলেন আমি একটি টাকাও দিবো না। ওরা যা করতে পারে তা করুক। লিপি আক্তার জানায়,স্যারের বেত্রাঘাতে আমি মাথায় ও ঘারে অনেক আঘাত পেয়েছি। যে কারণে আমি মাথা ও চোখের সমস্যায় ভূগছি । অপর দিকে এ শিক্ষক নলী ভীম ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরূদ্ধে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যলয় বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর সহ একাধিক নাশকতা মামলা ও জাতীয় নির্বাচন কালীন নৌকা সমর্থকদের কঠোর ভাষায় ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার ভিতী প্রদর্শনের এলাকায় নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও ওই স্কুলের কারনিক পরিমল হালদারকে ঠুনকো ঘটনায় মারধর করে । যে ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমানের কাছে তার বিরূদ্ধে অভিযোগ করলে চেয়ারম্যানের তোপের মুখে এক পর্যায় বিষয়টি নিয়ে পরিমলের কাছে গিয়ে আপোষ রফা করে ফেলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক নুর সাইদ বলেন , লিপির চিকিৎসা খরচ আমি বহন করবো । নিতীগত ভাবে আমি জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ^াসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি,এম সরফরাজ বলেন,একজন সরকারি কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তি বা শিক্ষক রাষ্টদ্রোহী কাজে অংশগ্রহন করতে পারেনা এবং কারো ভোটাধিকরে বাধা প্রদান করারও তার কোন অধিকার নেই। এটি করে থাকলে তার বিরূদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

মঠবাড়িয়ায় বিএনপি নেতা ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত করলেন

প্রকাশের সময় : 08:15:43 am, Friday, 9 November 2018

মাসুদ রানা: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নুর সাইদ নামে এক বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষকের বিরূদ্ধে ১০ম শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের নলী ভীম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিঙ্ঘান বিভাগের ১০ম শ্রেনির মেধাবী ছাত্রী লিপি আক্তার (১৬) কে অন্যায় ভাবে বেত্রাঘাত করেন । যার ফলে সে মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পরলে মেয়ের বাবা আব্দুল কুদ্দুস গাজী ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শপন কুমার হালদারের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করলে সেখানে কোন সারা মেলেনি। আশাহত হয়ে ২৮/১০/১৮ ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী আফিসার জি ্এম সরফরাজের কাছে অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষনিক লিপির চিকিৎসার ব্যাবস্থা নেন। ডাক্তারি পরিক্ষায় ধরা পরেছে মাথায় বেত্রাঘাতে প্রচন্ড বেইনে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় মাথায় যন্ত্রনা সহ চোখে ঝাপসা দেখছে। চিকিৎসক তাকে চশমা পরার পরামর্শ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কুদ্দুস গাজী অত্র বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য শ্যামল মিত্রের সহযোগিতায় চিকিৎসা ব্যাবস্থা গ্রহন করেন। এক পর্যায় শ্যামল মিত্র নুর সাইদ মাষ্টারকে খরচের টাকা দিতে বল্লে তিনি তার উত্তরে বলেন আমি একটি টাকাও দিবো না। ওরা যা করতে পারে তা করুক। লিপি আক্তার জানায়,স্যারের বেত্রাঘাতে আমি মাথায় ও ঘারে অনেক আঘাত পেয়েছি। যে কারণে আমি মাথা ও চোখের সমস্যায় ভূগছি । অপর দিকে এ শিক্ষক নলী ভীম ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরূদ্ধে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যলয় বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর সহ একাধিক নাশকতা মামলা ও জাতীয় নির্বাচন কালীন নৌকা সমর্থকদের কঠোর ভাষায় ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার ভিতী প্রদর্শনের এলাকায় নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও ওই স্কুলের কারনিক পরিমল হালদারকে ঠুনকো ঘটনায় মারধর করে । যে ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমানের কাছে তার বিরূদ্ধে অভিযোগ করলে চেয়ারম্যানের তোপের মুখে এক পর্যায় বিষয়টি নিয়ে পরিমলের কাছে গিয়ে আপোষ রফা করে ফেলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক নুর সাইদ বলেন , লিপির চিকিৎসা খরচ আমি বহন করবো । নিতীগত ভাবে আমি জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ^াসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি,এম সরফরাজ বলেন,একজন সরকারি কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তি বা শিক্ষক রাষ্টদ্রোহী কাজে অংশগ্রহন করতে পারেনা এবং কারো ভোটাধিকরে বাধা প্রদান করারও তার কোন অধিকার নেই। এটি করে থাকলে তার বিরূদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।