ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১২টি বাস পোড়ানো হয়: পুলিশ Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১২টি বাস পোড়ানো হয়: পুলিশ

ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১২টি বাস পোড়ানো হয়: পুলিশ

ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১২টি বাস পোড়ানো হয়: পুলিশ




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি ও ইন্সুরেন্সের টাকা পাওয়ার জন্য বরকত-রুবেলের মালিকানাধীন ১২টি বাস পোড়ানো হয়েছে বলে দাবি করছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ।

 

 

২ হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলার আলামত হিসেবে বাসগুলো জব্দ করার পর সোমবার বিকেলে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামাল পাশা।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও তদন্ত) ইমদাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. হেলালউদ্দিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার ।

 

 

জামাল পাশা জানান, বাস পোড়ানোর ঘটনার জড়িত সন্দেহে ফরিদপুরের সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন, ফরিদপুর শহরের পশ্চিম গোয়ালচামই মহল্লার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম জনি (২৪) ও পারভেজ মৃধা (২১) এবং নদরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের মোহাম্মদ আলী (৪১)।

 

 

সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজন ফরিদপুরের এক নম্বর আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট শফিকুল ইসলামের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

 

গ্রেপ্তার হওয়া জহুরুল ইসলাম জনি ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহা সড়কে ওজোপাডিকো গোয়ালচামট শাখার সামনে বরকত ও রুবেলের মালিকানাধীন ২২টি বাস দেখাশোনা করতেন। মোহাম্মদ আলী ওই বাসগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়া পারভেজ খানকে এ মামলার সন্দেহজনক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

 

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মহল্লার হেলিপোর্ট এলাকা থেকে ওই তিনজনকে একসঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

লিখিত বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জহুরুল হক জনি ও শেখ মোহাম্মদ আলী নিজেদের এ বাস পোড়ানোর ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মানি লন্ডারিং মামলায় জব্দ করা বাসগুলো ইন্সুরেন্সের ক্ষতিপূরণ ও ব্যাংক লোনের দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য পোড়ানো হয়েছে ।

 

 

গত ১২ মার্চ ভোরে বাসগুলো পোড়ানো হয়। ওই দিনই ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল গফফার বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় নাশকতার দায়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

 

 

এ মামলাটি তদন্ত করছেন ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক ফরহাদ হোসেন।

 

 

তিনি জানান, এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জহুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী সোমবার বিকেলে ফরিদপুরের এক নম্বর আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট শফিকুল ইসলামরে কাছে বাস পোড়ানোর দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওই দুইজনের জবানবন্দিতে অপর আসামি পারভেজের নাম এসেছে। তিনি বলেন জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

 

আগুনে পুড়ে যাওয়া ওই বাসগুলো ফরিদপুরে অর্থপাচার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার আলোচিত দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিস্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের মালিকানাধীন সাউথ লাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস।

 

 

২০২০ সালের ২৬ জুন বরকত ও রুবেলের নামে ঢাকার কাফরুল থানায় দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলা করে ঢাকার সিআইডি। ২০২১ সালের ৩ মার্চ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা উত্তম বিশ্বাস বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেন।

 

 

এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামি হলেন সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী ফরিদপুর সদর আসনের সাংসদ খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, খন্দকার মোশাররফের এপিএস ও জেলা যুবলীগের বহিস্কৃত আহ্বায়ক এ এইচ এম ফোয়াদ। তারাও বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

 

 

এ মামলায় চার্জশিট দেওয়ার পর আলামত হিসেবে সাউথ লাইন পরিবহনের ওই বাসগুলো জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে বাসগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ফরিদপুর জেলা পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ব্যাংকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১২টি বাস পোড়ানো হয়: পুলিশ

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares