বরিশালে প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ভবন নির্মানে অনিয়ম Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বরিশালে প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ভবন নির্মানে অনিয়ম

বরিশালে প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ভবন নির্মানে অনিয়ম




থানা প্রতিনিধি: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে পরিবার পরিকল্পনা অফিস কাম স্টোর ভবন নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা অনিয়মে বাধা দেয়ায় সংশ্লিষ্ঠ প্রকৌশলী ফোনে তাকে বকা-ঝকা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ঠ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে উপজেলার গৈলা ৫০শয্যা হাসপাতাল কম্পাউন্ডে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (সিএমএমইউ) আওতায় ১কোটি ১৪লাখ টাকা ব্যয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আলাদা দপ্তরের জন্য ৫২ফুট ৮ইি ও ৩১ফুট ৮ইি বর্গের চার তলা ফাউন্ডেশনের দ্বিতল ভবন সম্পন্নর টেন্ডার আহ্বান করা হয়। টেন্ডারে বরিশালের কোহিনুর এন্টার প্রাইজের ঠিকাদার মেহেদী হাসান বাদলকে কার্যাদেশ দেয়া হয়।

ঠিকাদার শুরু থেকেই টেন্ডারের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মান কাজ শুরু করে। সোমবার সকালে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেনের উপস্থিতিতে ভবনের দোতলার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে ঠিকাদারের লোকজন। ভবনের ছাঁদ ঢালাইয়ে ১১ ঘন ফুট খোয়ার সাথে ৩ফুট সাদা বালু, সিলেট চান বালু ২ফুট ও ১ফুট সিমেন্ট মিশ্রনে ঢালাই কাজ করে যাচ্ছে। ফলে নিম্নমানের ওই ভবনের ছাদ সহসাই ধ্বসে পরার আশংকা থেকেই যাচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন দেখে উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা অমিও রতন ঘটককে অবহিত করে সিডিউল অনুযায়ি কাজের তাগিদ দেয়।

পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা অমিও রতন ঘটক বিষয়টি শুনেও না শোনার ভান করলে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সাংবাদিকরা নির্মান কাজ দেখতে যায়। এরই মধ্যে সিএমএমইউ’র নির্বাহী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন ‘সাংবাদিকেরা কিভাবে ঢালাইয়ের কথা জানল ?” এই কারনে অমিও ঘটককে ফোনে তাকে অকথ্য বকা ঝকা করেন। ফোনে বকাঝকা করার সময় সেখানে সাংবাদিকেরা উপস্থিত থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন সাংবাদিদের বলেন, তার আসার আগেই ঠিকাদার ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে দেয়। তিনিও শুনেছেন ঢালাইয়ে অনিয়মের কথা। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অভিযোগে পেয়ে তিনি ১১টি খোয়ার পরিবর্তে সিডিউল অনুযায়ি ৭টি খোয়ার ঢালাইয়ের কাজ করাচ্ছেন বলে জানান।

পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অমিও রতন ঘটক বলেন, ঠিকাদার তাকে সিডিউল বা ডিজাইনের কোন কাগজ তাকে দেয়নি। ছাদ ঢালাইয়ের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করে তিনি বলেন, ঢালাই সম্পর্কে তাকে আগে অবহিত করা হয়নি। উপজেলা স্বস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তিনি স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে অনিয়মের বিষয়টি অবহিত করবেন বলে জানান। সিএমএমইউ নির্বাহী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেনের (০১৭১১-১৫৯৪৯৩) মোবাইল ফোনে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাঁচবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares