ফের আলোচনায় গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




ফের আলোচনায় গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল

ফের আলোচনায় গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল

ফের আলোচনায় গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল




স্টাফ রিপোর্টার॥ দয়িত্বে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার ফলে গর্ভের শিশুকে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারী হাসপাতালের বিরুদ্ধে।

 

 

এমনকি মিথ্যা আশ্বাস ও প্রতারনা করে প্রসুতি নারীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

 

 

তাছাড়া রোগীর স্বামীর কাছ থেকে জোরপুর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়ারও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী স্বামী। ঘটনাটি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বেজগাতি সুইজ হাসপাতালের।

 

 

এখানে হরহামেসাই শিশু হত্যার মত চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটিয়ে মানুষ মারার কারখানা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এই সুইজ হাসপাতাল।

 

 

গত শুক্রবার আরও একটি শিশু মৃত্যুর খবর দিয়ে আবারও আলোচনায় নাম লেখালেন সেই আলোচিত সুইজ হাসপাতাল। জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার ধানডোবা গ্রামের বাসিন্দা সবুজ ভূঁইয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমের প্রসব ব্যথা উঠলে সুইজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা।

 

 

হাসপাতালে আসলে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্বরত থাকা ডাঃ (ডিএমএফ) শফিকুল ইসলাম নিজেই আলট্রাসনোগ্রামসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গর্ভের বাচ্চা ও মা দু’জনই সুস্থ আছেন মর্মে জানান।

 

 

এবং আগামী ২ সপ্তাহ পরে বাচ্চা প্রসবের সময় হবে বলে ব্যাথা উপশমের জন্য স্যালাইন ও প্রয়োগ করেন ডাঃ শফিক।
এমতাবস্থায় ফরিদা বেগমের ব্যাথা আরও বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনে একটি ইনজেকশন পুশ করান এই ডিএমএফ ডাঃ শফিক। এবং ফরিদাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

 

 

ফরিদার শাশুড়ী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণ পড়ে ফরিদার ব্যাথা আরো বেড়ে যায়। এই অবস্থায় আমি একা মহিলা কোন উপায় না পেয়ে অসহায়ের মত বারবার ছুটে যাই নার্সদের কাছে। কিন্তুএত রাত্রে ডাক্তারকে ডাকা যাবেনা তাহলে ডাক্তার রাগ করবেন বলে জানায় নার্স।

 

 

নার্সের এরকম আচরণে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে পেটের ভিতর মারা যায় ফরিদা বেগমের সন্তান। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের প্রতি উল্টো অভিযোগ এনে জানান, রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের বিল পরিশোধ না করার জন্য মিথ্যা একটি ঘটনা সাজিয়েছে।

 

 

কিন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন ফরিদা বেগমের শাশুড়ি। তিনি আরো জানান এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জিম্মি থাকার কারণে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানাতে পারেননি আজ সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বিষয়টি তিনি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD