বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোরবানির পশুর চামড়া কেনা শুরু করেছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল থেকে বরিশাল নগরীর পদ্মাবতী এলাকার পাইকারী চামড়ার বাজারে চামড়া কেনা শুরু হয়েছে।
চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা দরে তারা গরুর চামড়া কিনছেন। এছাড়া ছাগলের চামড়া একদম ফ্রি হলেও কিছু ক্ষেত্রে ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা দরে কিনছেন।
এ ব্যাপারে পদ্মাবতীর পাইকারী চামড়া ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা ২০০ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩০০ টাকা দরে গরুর চামড়া কিনছি। এর চেয়ে বেশি দামে কেনা যাবে না।
গত বছরের চেয়ে এ বছর চামড়ার দাম বেশি। গত বছর প্রতিটি চামড়া প্রতি আমরা ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা প্রদান করেছি। যা এবছর অনেক বেড়ে গেছে। তাছাড়া গত বছর সবচেয়ে ভালো চামড়া প্রতি আমরা দিয়েছি ৩০০ টাকা । যা এবছর বেড়ে ৪০০ টাকা হয়েছে। সব মিলিয়ে চামড়ার দাম কিছুটা হলেও বাড়তি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই চামড়ার পেছনে আমাদের আরও দুই থেকে আড়াইশ টাকা খরচ রয়েছে। এর চেয়ে বেশি দাম দিয়ে কিনলে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা পাইকারী চামড়া ব্যবসায়ীদের দাম দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এলাকা থেকেই আমরা বড় গরুর চামড়া বেশি টাকা করে কিনেছি। এখানে তারা যে দাম বলছেন এতে করে আমাদের চালান থাকবে না।
এ বিষয়ে বরিশাল চামড়া ব্যবাসীয় মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুর রহমান শাহিন বলেন, ট্যানারি মালিক বা ব্যবসায়ীদের কাছে বরিশালের চামড়া ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। প্রতিবছর কোরবানির পূর্বে কিছু টাকা ট্যানারি ব্যবসায়ীরা দিলেও এবারে খালি হাতেই ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাই নতুন করে দেনাগ্রস্থ হতে রাজি হননি অনেকেই। এজন্য তিনিসহ বহু ব্যবসায়ী এবার চামড়া কেনা থেকে বিরত রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বরিশালে ২০/২২ জন চামড়ার পাইকার ব্যবসায়ী ছিলেন। যারা স্থানীয়ভাবে চামড়া সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠাতেন। কিন্তু দিনে দিনে চামড়ার দর পতন অব্যাহত থাকায় এবং ট্যানারি মালিকদের কাছে টাকা আটকে যাওয়ায় বর্তমানে চামড়া ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৫ এর নীচে ।
যারমধ্যে এবারে মাত্র ২ থেকে ৩ জন চামড়া সংগ্রহ করেছেন। ফলে সবদিক থেকে স্থানীয় বাজার থেকে আমাদের চামড়া সংগ্রহের পরিমান
Leave a Reply