আগামী ২ মাস সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা Latest Update News of Bangladesh

শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




আগামী ২ মাস সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

আগামী ২ মাস সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা




বরগুনা সংবাদদাতা: মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সে হিসেবে সোমবার (২০ মে) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। শেষ হবে ২৩ জুলাই। ইলিশের জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সফল হওয়ায় এই পথে এগুচ্ছে সরকার।

প্রজ্ঞাপণটিতে ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরের মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। এই সময় বঙ্গোপসাগরের কোনো স্থানেই যান্ত্রিক এমনকি ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা দিয়েও মাছ আহরণ করা যাবে না। বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধের কারণে যাতে জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিকেও নজর দিচ্ছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারকে ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হবে। যে কার্ডের মাধ্যমে তারা সরকারের কাছ থেকে রেশনিং সুবিধা পাবেন।

জানা গেছে, বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তৈরি করা তালিকায় বর্তমানে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৪ হাজার ৪শ ৪০ জন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে আছে পাথরঘাটা উপজেলায়। পাথরঘাটায় নিবন্ধিত জেলে আছে ১৪ হাজার। এসব জেলেরা রেশনিংয়ের আওতায় আসবে। তবে পাথরঘাটা উপজেলায় জেলের সংখ্যা হবে ২০ হাজার।

সাগরে ইলিশ ধরতে যাওয়া উপজেলার প্রায় সব এলাকার জেলেদের ট্রলার ঘাটে অবস্থান করেছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) বরগুনার পাথরঘাটায় জেলেদের সঙ্গে কথা বললে তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবছর বছর ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এ বছর ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় উপজেলার ২০ হাজার জেলেদের না খেয়ে জীবনযাপন করতে হবে বলে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশ ফিসিং বোর্ড মালিক সমিতির সভাপতি চৌধুরি গোলাম মোস্তফা বলেন, ইলিশের মৌসুম থাকে ১৫০ দিন তার মধ্যে আশ্বিনে বন্ধ থাকে ২২ দিন। এবার যদি বন্ধ থাকে ৬৫ দিন তাহলে মোট বন্ধ থাকে ৮৭ দিন। এতো বন্ধ থাকলে জেলে পরিবারগুলোকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে। জেলায় আনুমানিক ৫৫ হাজার জেলে রয়েছে কিন্ত নিবন্ধন আছে প্রায় ৪৫ হাজার। তার দাবি, ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকলে বাকি জেলেরা খাবে কি?

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের পার্শবর্তী কয়েকটি দেশেও সাগরের মৎস্য আহরণের ওপর এই ধরণের আইন রয়েছে। এর আগে জাটকা নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ইলিশের প্রজনন হার বেড়েছে। এই অভিযানেও অবশ্যই সফলতা আসবে।

এই দীর্ঘ সময়ে মানুষ কিভাবে সাগরের মাছ খাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাগরের মাছে যে পুষ্টিগুণ রয়েছে, নদী এবং পুকুরের মাছের পুষ্টিগুণও প্রায় একই। তাছাড়া বাংলাদেশের মাত্র দুই ভাগ মানুষ সাগরের মাছ খাওয়ার সুযোগ পান। ফলে এই নিষেধাজ্ঞা দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ফেলবে না। বরং এর সফলতায় তারাই উপকৃত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares