পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার প্রতি কেজি মরিচ ৩০০ টাকা! Latest Update News of Bangladesh

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
মক্কায় চার বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, সতর্কতা জারি প্রশাসনের সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমবে তাপপ্রবাহের তীব্রতা মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আলোচনায় অগ্রগতি নেই, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রাজাপুরে ইটবোঝাই ট্রলি খাদে পড়ে হেল্পারের মৃত্যু সৌদি আরব থেকে তেলবাহী জাহাজ আসছে, পুনরায় চালু হচ্ছে ইআরএল হামলাকারী একাই জড়িত, ইরানের সংযোগ নেই: ট্রাম্প অবকাঠামো উন্নয়ন অগ্রাধিকার, আজ বসছে সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভা এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে গর্ভবতী নারীকে মারধরের অভিযোগ নতুন বাসভাড়া প্রকাশ, মহানগর ও দূরপাল্লায় পরিবর্তন বরিশালে প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি




পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার প্রতি কেজি মরিচ ৩০০ টাকা!

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার প্রতি কেজি মরিচ ৩০০ টাকা!

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার প্রতি কেজি মরিচ ৩০০ টাকা!




পিরোজপুর প্রতিনিধি॥ কাঁচা মরিচের দাম হঠৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মরিচের ‘ঝাল’ ও ‘ঝাঁঝ’ দুটোই বেড়ে গেছে। শনিবার সকালে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরে বাজার করতে আসা ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে মুখে এমন অভিযোগ।

 

 

গৃহিনী নাসিমা বেগম বলেন, সকালে সবজি কেনার জন্য ভাণ্ডারিয়া পৌর সদরের কাঁচা বাজারে আসি। সবজি কেনা শেষে কাঁচা মরিচের জন্য দোকানদারকে দাম জিজ্ঞাসা করলে দোকানদার কেজি ৩০০ টাকা দরে ১০০ গ্রাম মরিচের দাম চান ৩০ টাকা। সেখান থেকে মরিচ না কিনে ফিরে আসি। তাই এত চড়া দামে মরিচ না কিনেই বাসায় ফিরে যাচ্ছি। তাই ভাবছি কাঁচা মরিচ ছাড়াই তরকারি রান্না করবো’।

 

 

সরেজমিনে বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৬০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ দোকানে মরিচের সংকট। দু’একটা দোকানে মরিচ পাওয়া গেলেও তার দাম চড়া। বলতে গেলে সাধারণের ক্রয়ের বাইরে।

 

 

দামের ‘ঝাল’ না কমার কারণ হিসেবে স্থানীয় বিক্রেতারা বলছেন, সম্প্রতি বন্যার পানিতে দেশের মরিচখেত তলিয়ে গেছে। সরবারহ কমে যাওয়ায় মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। সে কারণে খুলনার কাঁচা বাজার থেকে বেশি দামে মরিচ ক্রয় করতে হয়। কেজি প্রতি ২০-২৫ টাকা ব্যবসা করছেন তারা।

 

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী শহিদুল জানান, ভাণ্ডারিয়া বাজারে সাধারণত খুলনা থেকে আসা কাঁচা মালামাল বিক্রি হয়। আর খুলনা মোকামে কাঁচা মরিচ পাওয়াই যাচ্ছে না বলে চলে। সামান্য কিছু পাওয়া গেলেও তা আকাশ ছোঁয়া দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। আমাদেরও বিক্রি করতে হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD