দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ প্যারাসুটার শহীদ কর্নেল এমদাদ এর পরিবার আজও পায়নি বিচার Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
নববর্ষের প্রভাতে আশাবাদী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দেখছেন প্রধানমন্ত্রী গণভোট বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন বাড়বে—বিরোধীদলীয় নেতা নলছিটিতে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হরমুজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তু হয়ে ফিরে গেল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ! বাংলাদেশ ভারতের আস্থা ও সহযোগিতা এখন আরও শক্তিশালী: প্রণয় ভার্মা মধ্যপ্রাচ্য সংকট: লেবানন-ইসরায়েল সংঘর্ষে নিহত ৫ নলছিটিতে প্রতিবেশীর ডাকে বের হয়ে প্রাণ হারালেন ইকবাল ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন হরমুজ প্রণালি, টোল দিতে হবে রিয়ালে বরিশালে কমিটি গঠন নিয়ে রাজপথে নামলেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বানারীপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার




দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ প্যারাসুটার শহীদ কর্নেল এমদাদ এর পরিবার আজও পায়নি বিচার

দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ প্যারাসুটার শহীদ কর্নেল এমদাদ এর পরিবার আজও পায়নি বিচার




পিরোজপুর প্রতিনিধি ॥ বিডিআর বিদ্রোহে নিহত পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের শীর্ষা গ্রামের কৃতি সন্তান কর্নেল কাজী এমদাদুল হকের হত্যার ১৭ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু এত বছরেও তার পরিবার ন্যায়বিচার পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মনে করে না।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে জাতি হারায় ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা কর্মকর্তাকে। তাঁদেরই একজন ছিলেন তৎকালীন সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এমদাদুল হক। বিদ্রোহের দিন সকালে দরবার চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু বিদ্রোহীদের নির্মম হামলায় প্রাণ হারান এই দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা। পরে গণকবর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কর্নেল এমদাদুল হক সামরিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের মতে, তিনি একজন দক্ষ অফিসার হওয়ার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলীর অধিকারী ছিলেন। জওয়ানদের কাছে তার জনপ্রিয়তা ছিল উল্লেখযোগ্য। বাহিনীর শৃঙ্খলা ও আধুনিকায়নে তার ভূমিকা প্রশংসিত ছিল।

তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোক। প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয়ভাবে তাকে স্মরণ করে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ করা হয়। এবারও আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা করেছেন।

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় আদালত বহু আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও নিহত পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, পূর্ণাঙ্গ বিচার কার্যকর হওয়া এখনো বাকি। দেশপ্রেম ও কর্তব্যনিষ্ঠার যে দৃষ্টান্ত কর্নেল এমদাদ রেখে গেছেন, তা দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD