বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম করে যাচ্ছে ৭০ বছরের আমেনা বেগম Latest Update News of Bangladesh

শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
একটি দেশের সম্পর্ক ভারতের, কোন দলের সঙ্গে নয়: মোদি মিয়ানমার প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে সম্মত বাকেরগঞ্জে তরমুজ চুরি রুখতে গিয়ে কৃষক নিহত মোদি-ইউনূস বৈঠক: হাসিনা, সীমান্ত হত্যা ও তিস্তা নিয়ে আলোচনা শুল্ক যুদ্ধের রণতূরী: ট্রাম্পের পদক্ষেপে বিশ্ব বাণিজ্যে অশনি সংকেত শহীদ জিয়ার পর সবচেয়ে সফল হবে ড. ইউনূসের সরকার : ব্যারিস্টার ফুয়াদ বঙ্গোপসাগর নিয়ে ভারতের নতুন দাবি, তুঙ্গে নয়া বিতর্ক তরুণদের ‘তিন-শূন্য ব্যক্তি’ হতে আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বিমসটেকের নতুন দিগন্ত উন্মোচন বানারীপাড়ায় খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী




বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম করে যাচ্ছে ৭০ বছরের আমেনা বেগম

বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম করে যাচ্ছে ৭০ বছরের আমেনা বেগম




মজিবর রহমান নাহিদ ॥  বয়স ৭০এর বেশি, হাটাচলা করতে পারেন কোনমতে, বয়সের ভারে ন্যুব্জ। ভারী কাজও করতে পারেননা। তাই বেঁচে থাকার তাগিদে আয়ের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিভিন্ন রকমের শাকপাতা বিক্রির ব্যবসা। বলছি বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শাকপাতা বিক্রি করা আমেনা বেগমের কথা। গত ৫ থেকে ৭বছর ধরে বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করেই সংসারে আয়ের জোগান দিচ্ছেন এই বৃদ্ধা। নাতি-নাতনি সহ ৫জনের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় ইট ভাঙ্গা শ্রমিক ছেলের।কাজ করার শক্তি নেই তারপরও কারো কাছে হাত পাতেন না।তাই জীবিকা নির্বাহের তাগিতে জীবনের অন্তিম মুহূর্তে এসে ফুটপাতে সবজি বিক্রি করেছেন। তিনি নগরীর বালুর মাঠ এলাকায় থাকেন।

গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। আমেনা বেগম এই প্রতিবেদককে জানায়, বিভিন্ন স্থান থেকে কচুশাক, কলমি শাক, হেলঞ্চা শাক তুলেন তিনি। পরে তা বিক্রি করতে বসে পরেন বিভিন্ন ফুটপাতে। তিনি বেশিরভাগ সময়ই থাকেন বঙ্গবন্ধু উদ্যানে।এই শাক বিক্রি করে কোনদিন ৫০ টাকা আবার কোন কোন দিন ১০০টাকা আয় হয় আমেনা খাতুনের। তবে তার বেশির ভাগই চলে যায় ঔষধের পিছনে। তিনি বলেন, ‘পোলার টাহা দিয়া সংসার চালাইতে কষ্ট হয়, নিজের বয়স হইছে ঔষুধ খাওলা লাগে পেরতেক দিন।

হেইরপর তেল-সাবান কেনা লাগে। এই হাকপাতা বেইচ্চা যা পাই তা দিয়া কোনমতে চলে।’ আমেনা বেগম অশ্রুশিক্ত হয়ে বলেন, ‘বাবা অনেক কষ্ট হয় এই বয়সে বিভিন্ন হানে যাইয়া হাগপাতা তুলতে। সরকার মানষের কত কিছুই দেয়, আমার লইজ্ঞা যদি হ্যারা কিছু করতে তাইলে আমার অনেক উপকার হইতো।’ দেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্য আয়ে উত্তোলনে, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন হলেও আমেনা বেগমের মতো এমন অনেক বৃদ্ধার ভাগ্য আজও পরিবর্তন হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD