বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম করে যাচ্ছে ৭০ বছরের আমেনা বেগম

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 04:03:08 am, Tuesday, 16 April 2019
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




মজিবর রহমান নাহিদ ॥  বয়স ৭০এর বেশি, হাটাচলা করতে পারেন কোনমতে, বয়সের ভারে ন্যুব্জ। ভারী কাজও করতে পারেননা। তাই বেঁচে থাকার তাগিদে আয়ের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিভিন্ন রকমের শাকপাতা বিক্রির ব্যবসা। বলছি বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শাকপাতা বিক্রি করা আমেনা বেগমের কথা। গত ৫ থেকে ৭বছর ধরে বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করেই সংসারে আয়ের জোগান দিচ্ছেন এই বৃদ্ধা। নাতি-নাতনি সহ ৫জনের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় ইট ভাঙ্গা শ্রমিক ছেলের।কাজ করার শক্তি নেই তারপরও কারো কাছে হাত পাতেন না।তাই জীবিকা নির্বাহের তাগিতে জীবনের অন্তিম মুহূর্তে এসে ফুটপাতে সবজি বিক্রি করেছেন। তিনি নগরীর বালুর মাঠ এলাকায় থাকেন।

গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। আমেনা বেগম এই প্রতিবেদককে জানায়, বিভিন্ন স্থান থেকে কচুশাক, কলমি শাক, হেলঞ্চা শাক তুলেন তিনি। পরে তা বিক্রি করতে বসে পরেন বিভিন্ন ফুটপাতে। তিনি বেশিরভাগ সময়ই থাকেন বঙ্গবন্ধু উদ্যানে।এই শাক বিক্রি করে কোনদিন ৫০ টাকা আবার কোন কোন দিন ১০০টাকা আয় হয় আমেনা খাতুনের। তবে তার বেশির ভাগই চলে যায় ঔষধের পিছনে। তিনি বলেন, ‘পোলার টাহা দিয়া সংসার চালাইতে কষ্ট হয়, নিজের বয়স হইছে ঔষুধ খাওলা লাগে পেরতেক দিন।

হেইরপর তেল-সাবান কেনা লাগে। এই হাকপাতা বেইচ্চা যা পাই তা দিয়া কোনমতে চলে।’ আমেনা বেগম অশ্রুশিক্ত হয়ে বলেন, ‘বাবা অনেক কষ্ট হয় এই বয়সে বিভিন্ন হানে যাইয়া হাগপাতা তুলতে। সরকার মানষের কত কিছুই দেয়, আমার লইজ্ঞা যদি হ্যারা কিছু করতে তাইলে আমার অনেক উপকার হইতো।’ দেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্য আয়ে উত্তোলনে, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন হলেও আমেনা বেগমের মতো এমন অনেক বৃদ্ধার ভাগ্য আজও পরিবর্তন হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম করে যাচ্ছে ৭০ বছরের আমেনা বেগম

প্রকাশের সময় : 04:03:08 am, Tuesday, 16 April 2019

মজিবর রহমান নাহিদ ॥  বয়স ৭০এর বেশি, হাটাচলা করতে পারেন কোনমতে, বয়সের ভারে ন্যুব্জ। ভারী কাজও করতে পারেননা। তাই বেঁচে থাকার তাগিদে আয়ের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিভিন্ন রকমের শাকপাতা বিক্রির ব্যবসা। বলছি বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শাকপাতা বিক্রি করা আমেনা বেগমের কথা। গত ৫ থেকে ৭বছর ধরে বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি বিক্রি করেই সংসারে আয়ের জোগান দিচ্ছেন এই বৃদ্ধা। নাতি-নাতনি সহ ৫জনের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় ইট ভাঙ্গা শ্রমিক ছেলের।কাজ করার শক্তি নেই তারপরও কারো কাছে হাত পাতেন না।তাই জীবিকা নির্বাহের তাগিতে জীবনের অন্তিম মুহূর্তে এসে ফুটপাতে সবজি বিক্রি করেছেন। তিনি নগরীর বালুর মাঠ এলাকায় থাকেন।

গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। আমেনা বেগম এই প্রতিবেদককে জানায়, বিভিন্ন স্থান থেকে কচুশাক, কলমি শাক, হেলঞ্চা শাক তুলেন তিনি। পরে তা বিক্রি করতে বসে পরেন বিভিন্ন ফুটপাতে। তিনি বেশিরভাগ সময়ই থাকেন বঙ্গবন্ধু উদ্যানে।এই শাক বিক্রি করে কোনদিন ৫০ টাকা আবার কোন কোন দিন ১০০টাকা আয় হয় আমেনা খাতুনের। তবে তার বেশির ভাগই চলে যায় ঔষধের পিছনে। তিনি বলেন, ‘পোলার টাহা দিয়া সংসার চালাইতে কষ্ট হয়, নিজের বয়স হইছে ঔষুধ খাওলা লাগে পেরতেক দিন।

হেইরপর তেল-সাবান কেনা লাগে। এই হাকপাতা বেইচ্চা যা পাই তা দিয়া কোনমতে চলে।’ আমেনা বেগম অশ্রুশিক্ত হয়ে বলেন, ‘বাবা অনেক কষ্ট হয় এই বয়সে বিভিন্ন হানে যাইয়া হাগপাতা তুলতে। সরকার মানষের কত কিছুই দেয়, আমার লইজ্ঞা যদি হ্যারা কিছু করতে তাইলে আমার অনেক উপকার হইতো।’ দেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্য আয়ে উত্তোলনে, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন হলেও আমেনা বেগমের মতো এমন অনেক বৃদ্ধার ভাগ্য আজও পরিবর্তন হয়নি।