২১ আগস্ট ছিলো মানুষের রক্ত গঙ্গার এক তীব্র স্রোতধারা-এমপি মিরা Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




২১ আগস্ট ছিলো মানুষের রক্ত গঙ্গার এক তীব্র স্রোতধারা-এমপি মিরা

২১ আগস্ট ছিলো মানুষের রক্ত গঙ্গার এক তীব্র স্রোতধারা-এমপি মিরা

২১ আগস্ট ছিলো মানুষের রক্ত গঙ্গার এক তীব্র স্রোতধারা-এমপি মিরা




মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া॥ রুবিনা আক্তার মিরা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য মহিলা আসন-২৮। ২১ আগস্টের বিএনপি-জামায়াতের সেই ঘৃনিত অধ্যায়টি খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছিলেন সেইদিন।

 

তিনি জানান দিনটি ছিলো ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শান্তি সমাবেশ করছিলেন উপ-মহাদেশের প্রাচীনতম সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

 

সমাবেশে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে অস্থায়ীভাবে তৈরি মঞ্চ’র ওপরে (ট্রাক) দাঁড়িয়ে সমাপনী বক্তৃতা দিচ্ছেলেন গনতন্ত্রের মানসকন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি তৎকালীন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

 

এর আগে ১৭ আগস্ট দেশের ৩৪টি জেলায় তৎকালীন সরকারের মদদেই সিরিজ বোমা হামলা হয়েছিলো। তাই ২১ আগস্টের সমাবেশে মমতাময়ী মা দেশরতœ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের ছিলো মঞ্চের চারপাশে মানব দেয়াল তৈরি করা।

 

বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে তারেক রহমানের নির্দেশে এবং রাষ্টের পরোক্ষ পৃষ্টপোশকতায় সমাবেশে চালানো হয় ভয়াবহ ইতিহাসের জগন্যতম গ্রেনেড হামলা। মুহুর্তের মধ্যেই চারিদিকে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

 

সেদিনের নেতা-কর্মীদের মানব দেয়ালের কারণে প্রাণে রক্ষা পান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরে বাংলার আপামর সাধারণ মানুষ যার কাছে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্য,খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান’র সুনিবির ঠিকানা খুঁজে পায় সেই মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

নিহত হন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইভি রহমান সহ অনেক নেতা ও কর্মী। আহত হন অগণিত আওয়ামী পরিবারের সদস্যরা।

 

এ যেন মানুষের রক্ত গঙ্গার এক তীব্র ¯্রােতধারা। তার পরেও সমাবেশ স্থল ছাড়েননি স্বাধীনতা,লাল সবুজ পতাকা ,স্বাধীন মানচিত্র ও মায়ের ভাষা এনে দেওয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এর মধ্যে আবার পুলিশ বাহিনীর অব্যাহত গুলি বর্ষণ।

 

সেইদিন ওই সমাবেশে ছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৮’র বর্তমান সদস্য এ্যাডভোকেট সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা। গ্রেনেড হামলায় আহত হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে পরে থাকা নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে ছুটেছেন তিনি।

 

তিনি স্মৃতি আওরিয়ে জানান,যখন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিচ্ছিলেন তখন ওখানকার রাস্তায় যানবাহন বলতে কেবল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি গুলো ছিলো।

 

অন্যকোন যানবাহন পাওয়াই যাচ্ছিলোনা। পরে আহতদের কাঁধে করে তিনি এবং ওই সময়ে যারা উদ্ধার কাজ করছিলেন তারা অনেক দুর পর্যন্ত আহতদের কাঁধে করে নিয়ে হাটার পরেই যানবাহন পেতেন।

 

ওই সময়ে তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বর্তমান তথ্য মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদকে আহতবস্থায় উদ্ধার করেণ এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। এভাবে করে ওই দিন তিনি মোস্তাক আহম্মেদ সেন্টু সহ বেশ কয়েকজন আহত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে ছুটে চলেছেন।

 

তখন তার কাছে মাত্র ৯শ’ টাকা ছিলো। এই সামান্য টাকা দিয়েই ওই সময়ে তিনি নেতা কর্মীদের চিকিৎসা করানোর দায়িত্বও নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আজও আৎকে ওঠেন তিনি। চোখে নামে কান্নার সাতাঁর।

 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন যাদের হাত রক্তে রঞ্জিত,রক্ত দিয়ে হলি খেলার মধ্য দিয়ে যারা রাষ্ট্রের পিছনের দঁড়জা দিয়ে প্রবেশ করে ক্ষমতা দখল করেছিলো সেই জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃনিত কালো অধ্যায় রচনা করেছিলো।

 

অথচ এই জিয়াকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই সময়ে সেনা বাহিনীর মেজর পদটি ভিক্ষা দিয়েছিলেন। জাতির পিতার কাছ থেকে ভিক্ষা পাওয়া সেই পদ ব্যবহার করেই জিয়া তাঁর বুককে করেছে ক্ষত-বিক্ষত।

 

ইতিহাস বড়ই নির্মম খাল কাটার নাটক করা শাসক জিয়াও প্রাণ হারায় বুলেটের আঘাতেই। আর ২১ আগস্ট ঘটানোর প্রধান নায়ক ছিলো তারই ছেলে তারেক রহমান। যার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে তৎতাকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর।

 

তারা হয়তো জানতো না রাখে আল্লাহ মারে কে। বাংলার মাটির সেই ঘৃনিত পাপিষ্টরা অনেকেই রয়েছে জেলের প্রকোষ্টে। আর যে কেবলই সাধারণ মানুষের রক্ত দেখতে অভ্যস্থ ও মানুষের রক্তে নেশা হয় যার সেই তারেক আজ বাংলার মাটিতেই দাঁড়াতে পারছে না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD