বরিশালে চার দিন বয়সী নবজাতককে শেবাচিমে রেখে গেলেন ‌'মা' Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




বরিশালে চার দিন বয়সী নবজাতককে শেবাচিমে রেখে গেলেন ‌’মা’

বরিশালে চার দিন বয়সী নবজাতককে শেবাচিমে রেখে গেলেন ‌’মা’




নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটে চার দিন বয়সী এক শিশুকে রেখে উধাও হয়ে গেছে মা। শিশুটির দায়িত্ব বর্তমানে সমাজসেবা অফিস নিয়েছে বলে জানা গেছে।হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২১ মে মানসুরা নামের এক নারী গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ওই দিনই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি মেয়ে সন্তান হয়। শিশুটি অসুস্থ থাকায় নবজাতক ইউনিটে নেওয়া হয়। এরপর থেকে মানসুরা উধাও।মা ও শিশু দুইজন দুই ওয়ার্ডে থাকায় মায়ের অবস্থান সম্পর্কে কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। রবিবার মায়ের খোঁজ পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং এই শিশুর মাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটের ইনচার্জ মাহফুজা জানান, মানসুরা ভর্তির সময় গ্রামের বাড়ির ঠিকানা দিয়েছে বাবুগঞ্জের মীরগঞ্জ। ওই ঠিকানা সঠিক নয় বলে জানতে পেরেছে হাসপাতালের সমাজসেবা দপ্তর। সেখানে স্বামীর নাম উল্লেখ নেই। তবে মানসুরার বাবার নামের স্থানে লেখা আছে আহম্মেদ আলী।শিশুটিকে নিয়ে বিপাকে পড়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবহিত করে। এই বিষয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তা দিলরুবা আক্তার রইচি বলেন, ভর্তির কাগজে দেওয়া ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করে কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই শিশুটিকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ছোটমনি নিবাসে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD