বাবুগঞ্জে বিয়ের ‘প্রলোভন’ দেখিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:১৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বাবুগঞ্জে বিয়ের ‘প্রলোভন’ দেখিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ

বাবুগঞ্জে বিয়ের ‘প্রলোভন’ দেখিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ




স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ধর্ষক জাকারিয়া সেতু তালুকদার (২০)।
উপজেলার রহমতপুর গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে চাদা দাবির অভিযোগে অই তরুণকে রবিবার (১৪ অক্টবর) রাত নয়টার সময় রহমতপুর বাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।

মেয়েটিকে নিয়ে আনুমানিক দুই বছর পূবে পালিয়ে যাওয়ার সময় এয়ারপোর্ট থানা পুরিশের হাতে আটক হয়। অপ্রাপ্ত বয়স হওয়াতে কোট তাদের বাবা – মার কাছে হস্থান্তর করে। এদিকে জাকারিয়া সেতুর নামে এলাকায় একাধিক চাঁদাবাজি মার-পিটের অভিযোগ আছে। জাকারিয়া সেতুর বাবা গোলাম কিবরিয়া তালুকদারের নামে কামাল তালুকদার হত্যার মামলার অভিযোগ আছে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রহমতপুর গ্রামের বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী (ছদ্ধনাম) পারভীন (১৮) সঙ্গে উত্তর রহমতপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া তালুকদারের ছেলে জাকারিয়া সেতু তালুকদার (২০) এর সাথে প্রায় চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। জাকারিয়া সেতু মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণ করে।

কলেজ ছাত্রীর এজাহার সুত্রে বলা হয়েছে, ১৫ সালের আগস্টের ৩ তারিখ জাকারিয়া সেতু মিয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি জাকারিয়া সেতুর প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হয়ে বাড়িতে এসে বাবা ,মা কে বিষয়টি জানায়। সম্পর্কে মেয়েটির বাবা ছেলেটির বাবার আপন চাচাত ভাই। মেয়েটির বাবা মা ছেলেটির বাবা মা কে বিষয়টি জানায় কিন্তু তারা কোন গুরুত্ব দেয় নাই।একপর্যায়ে চাচাত ভাই জাকারিয়া সেতু তালুকদারের সাথে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক হয়। মেয়েটিকে ঘুরাইতে নেওয়ার কথা বলে ১৭ সালের ২৬ মার্র্চ সকাল ১০ টার সময় উত্তর রহমতপুর বিমানবন্দর মোড় আশা অফিসের পাশে তাইজুল ইসলাম বেপারীর ছেলে রায়হান বেপারী (২০) এর সহায়তায় জাকারিয়া সেতুর এক বন্ধুর ফাকা বাসায় নিয়ে যায়।

 

এসময় রায়হান বেপারী ও অজ্ঞাতনামা বন্ধু সেতুকে ও মেয়েকে বাসায় রেখে চলে যায়। অতঃপর জাকারিয়া সেতু মেয়েটিকে বিয়ে করার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাদিক বার বেলা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।এ ঘটনার পরে জাকারিয়া সেতু মিথ্যা বিবাহের আশ্বাস সহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দুমকি দিয়ে প্রতি মাসে ৩ বার করে রায়হান বেপারী সহায়তায় অই উত্তর রহমতপুর বিমানবন্দর মোড় আশা অফিসের পাশে অজ্ঞাতনামা বন্ধুর বাসায় নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করিত। একপর্যায় মেয়েটি ছেলেটির সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। তার দুই মাস পরে মেয়েটির মোবাইল ফোন সহ ফেইসবুকের ম্যাসেঞ্জারে অনেক অনুরোধ মূলক ম্যাসেস দেয়। মেয়েটি ছেলেটিকে কোন প্রকারের যোগাযোগ করিতে নিষেধ করিলে ছেলেটি পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব করে।

মেয়েটি রাজি না হওয়ায় ছেলেটি বিভিন্ন প্রকার ব্লাকমেইল করে এবং ফেইসবুকে পূর্বের ঘটনা উল্লেখ করে বিভিন্ন ভাবে ম্যাসেস দেয়। যার প্রিন্ট কপি ও অশ্লীল কথার রেকর্ড য়েয়েটির কাছে রয়েছে।জাকারিয়া সেতু মেয়েটিকে পূনরায় অই উত্তর রহমতপুর বিমানবন্দর মোড় আশা অফিসের পাশে অজ্ঞাতনামা বন্ধুর বাসায় ১৮ সালের ১৭-ই আগস্ট দুই হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলে। মেয়েটি আসতে অস্বীকার করলে মেয়েটির এক মাত্র ছোট ভাইকে স্কুল থেকে অপহরণ সহ মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের খুন করার হুমকি দেয়।
একপর্যায় মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে অসহায় হয়ে সেতুর কুপ্রস্তাবে রাজি হয়। অতঃপর রায়হান বেপারীর সহায়তায় অএ অজ্ঞাতনামা বন্ধুর বাসায় নিয়ে ১৮ সালের আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ ও অক্টবর মাসের ৯ তারিখ সকাল ১০ টা হতে দুপুর ১ টা পর্যন্ত একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণ করে। এরপর মেয়েটি গত রবিবার (১৪ অক্টবর) রাতে এয়ারপোর্ট থানায় জাকারিয়া সেতু তালুকদার ও রায়হান বেপারী সহ অজ্ঞাতনামা একজন আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্য (ওসি) এইচ. এম. আবদুর রহমান মুকুল জানান, মেয়েটির লিখিত বক্তব্য অনুজাই ৯(১)৩০, ২০০০ সালের নরী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, সংশোধনী ২০০৩ সালের বিবাহের মিথ্যা প্রলোভনে ধষর্ণে অপরাধে একটি মামলা হয়েছে । ওই তরুনিকে বর্তমানে কোতয়ালী মডেল থানায় ভিক্টিম সাপোর্টে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ পরিক্ষার জন্য শের-ই বংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টাফ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হবে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares