বানারীপাড়ায় সুদের জালে ফরহাদ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 02:03:48 am, Monday, 8 October 2018
  • 70 সংবাদটি দেখা হয়েছে




বানারীপাড়া প্রতিনিধি ॥
বানারীপাড়ায় একটি এনজিওর সুদের জালে আটকা পরেছে বন্দর বাজারের এক ব্যাবসায়ী। বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী মায়ের দোয়া গার্মেন্টস এর মালিক ফরহাদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন,ব্রাক বাজরের বানারীপাড়া ব্রাঞ্চ থেকে চলতি বছরের গত চার ফেব্রুয়ারী তিন লাখ টাকা লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।

সে আরও জানায় প্রতি মাসে ২৮ হাজার ৫ শত টাকা কিস্তি হারে এক বছরের মধ্যে ওই টাকা পরিশোধ করার বিধান থাকলেও ছয় মাসের কিস্তি দিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধ্বস নামলে সে দোকান বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এর পরে তিনি কিস্তি দিতে অক্ষম হলে ব্র্যাক বাজার ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করলে তার সকল সুদ মাফ হয়ে যাবে। এতে ফরহাদ হোসেন রাজি হয়ে অনেক কষ্টকরে টাকা সংগ্রহ করে গত মাসের ১০ ই সেপ্টেম্বর এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।

এ সময় ব্যাংক কর্মকতারা পনের দিন পরে ফরহাদ হোসেনকে খোঁজখবর নিতে বলেন এবং বন্ধক রাখা দলিল ফেরৎ দেওয়ার কথা বলেন। ফরহাদ হোসেন রবিবার ব্যাংকে তার বন্ধক রাখা দলিল ফেরৎ আনতে গেলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান তার সুদ মৌকুফ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে ব্রাক বাজার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোস্তাক আহাম্মদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ব্যাংকের উর্ধত্বন কর্মকর্তারা তার সুদ মৌকুফ করেনি তাই আমাদের কিছু করার নেই। এ ব্যাপারে ব্যাংকের পিও জাহিদুল ইসলাম বলেন,৭ই অক্টোবরের মধ্যে যদি লোন পরিশোধ করে তাহলে ৩৫,৭৬৮ টাকা দিলে তার সকল লোন পরিশোধ হবে। যদি বিলম্ব করে তাহলে আরও সুদ বেশি গুনতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

বানারীপাড়ায় সুদের জালে ফরহাদ

প্রকাশের সময় : 02:03:48 am, Monday, 8 October 2018

বানারীপাড়া প্রতিনিধি ॥
বানারীপাড়ায় একটি এনজিওর সুদের জালে আটকা পরেছে বন্দর বাজারের এক ব্যাবসায়ী। বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী মায়ের দোয়া গার্মেন্টস এর মালিক ফরহাদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন,ব্রাক বাজরের বানারীপাড়া ব্রাঞ্চ থেকে চলতি বছরের গত চার ফেব্রুয়ারী তিন লাখ টাকা লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।

সে আরও জানায় প্রতি মাসে ২৮ হাজার ৫ শত টাকা কিস্তি হারে এক বছরের মধ্যে ওই টাকা পরিশোধ করার বিধান থাকলেও ছয় মাসের কিস্তি দিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধ্বস নামলে সে দোকান বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এর পরে তিনি কিস্তি দিতে অক্ষম হলে ব্র্যাক বাজার ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করলে তার সকল সুদ মাফ হয়ে যাবে। এতে ফরহাদ হোসেন রাজি হয়ে অনেক কষ্টকরে টাকা সংগ্রহ করে গত মাসের ১০ ই সেপ্টেম্বর এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।

এ সময় ব্যাংক কর্মকতারা পনের দিন পরে ফরহাদ হোসেনকে খোঁজখবর নিতে বলেন এবং বন্ধক রাখা দলিল ফেরৎ দেওয়ার কথা বলেন। ফরহাদ হোসেন রবিবার ব্যাংকে তার বন্ধক রাখা দলিল ফেরৎ আনতে গেলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান তার সুদ মৌকুফ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে ব্রাক বাজার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোস্তাক আহাম্মদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ব্যাংকের উর্ধত্বন কর্মকর্তারা তার সুদ মৌকুফ করেনি তাই আমাদের কিছু করার নেই। এ ব্যাপারে ব্যাংকের পিও জাহিদুল ইসলাম বলেন,৭ই অক্টোবরের মধ্যে যদি লোন পরিশোধ করে তাহলে ৩৫,৭৬৮ টাকা দিলে তার সকল লোন পরিশোধ হবে। যদি বিলম্ব করে তাহলে আরও সুদ বেশি গুনতে হবে।