বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ বরিশাল শহরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে সাদা পাঞ্জাবি আর মুজিব কোট গায়ে কাঁচা-পাকা চুলের আবক্ষ বঙ্গবন্ধু এখন আরেক ইতিহাস।
রং বেরঙের পাথরে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ৫০ ফুট উচ্চতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ম্যুরালটি দেশের সবচেয়ে বড়। নানা রঙের পাথরের টুকরা দিয়ে দীর্ঘদিন পরিশ্রমের পর এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অনুদানের টাকায় ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়। এটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এরইমধ্যে ম্যুরালটিকে নিয়ে জেলায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার সৃষ্টি হয়েছে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে প্রশংসিত করে ফেসবুকে অনেকেই ম্যুরালটি পোস্ট করেছন।
ম্যুরালের সামনের মূল ভিত্তির উচ্চতা ৫০ ফুট ও ৪০ ফুট চওড়া। এর নকশা তৈরি করেছেন ঢাকার চারুকলার একটি দল। ম্যুরাল চিত্রটির রূপ দিয়েছেন চারুকলার শিল্পী রুদ্র। ম্যুরালের পেছনে রয়েছে সবুজ ও লালের মিশ্রনে জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি।
বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামকে ঘিরে এখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ম্যুরালটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বরিশাল শহরকে জাগিয়ে তুলেছে। বরিশালের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি পর্যটকরাও এটি দেখতে আসছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ম্যুরালটি ৫০ ফুট লম্বা ও ৪০ ফুট চওড়া ২০০০ বর্গফুটের এই ম্যুরালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কন্যা শেখ হাসিনাকে বুকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। শহরের শহীদ মিনার এলাকায় নির্মিত ম্যুরালটি দেখার জন্য অনেকেই আসছেন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা এই ম্যুরালে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
চিত্র শিল্পী রুদ্র বলেন, বিদেশি উন্নতমানের টাইলসের বিভিন্ন রঙের টুকরা দিয়ে এটি চিত্রায়িত করা হয়েছে। চারজন সহযোগীকে নিয়ে দীর্ঘ ৪৫ দিন রাত-দিন পরিশ্রম করে এর নির্মাণকাজ করছি। আরো ১৫ দিনের মতো লাগবে।
তিনি আরো বলেন, এটিই বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় ম্যুরাল। এর আগে এত বড় ম্যুরাল অন্য কোথাও নির্মাণ করা হয়নি। ম্যুরালটি করা হয়েছে রঙিন। আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন। এই ম্যুরালের মধ্যে তাকে আরো প্রাণবন্ত করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের সন্তানরা ম্যুরালটি দেখে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আরো বেশি শ্রদ্ধাশীল হবে বলে আমি মনে করি। প্রতিবছর বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীতে ম্যুরালের পাদদেশে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হবে। তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। আমরা এই ম্যুরালের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য সব সময় আন্তরিক।
Leave a Reply