বরিশালে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাবে স্থানীয়রা Latest Update News of Bangladesh

রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বরিশালে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাবে স্থানীয়রা

বরিশালে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাবে স্থানীয়রা




নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালে চাহিদার অতিরিক্ত পশু লালন পালন করায় কোন সংকট ছাড়াই স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণের আশা করছেন খামার সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে বিভিন্ন খামার থেকে পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। কেউবা অপেক্ষায় রয়েছেন হাট শুরুর। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন দখিনের ছয় জেলার খামারিরা। এদিকে কোরবানির হাটের প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। ক্রেতা আকৃষ্ট করছে দেওয়া হচ্ছে নানান প্রতিশ্রুতি।

জানা গেছে, বরিশালের খামারগুলোয় বছরজুড়ে বিভিন্ন জাতের গরু লালন পালন হয়। তবে বেশি দামে বিক্রির টার্গেট থাকে কোরবানি ঈদ ঘিরে। তাই কোরবানি সামনে রেখে এখন খামারগুলোয় বিক্রয়যোগ্য পশুর যতœ নেওয়া হচ্ছে। যেখানে দেশি গরুর পাশাপাশি সাহিওয়াল, দেশাল, আরসিসি, নেপাল, ফিজিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান ও পাকিস্তানি সাহিয়াল জাতের গরু রয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় ব্যাক্তি উদ্যোগেও অনেকে ছোট ছোট খামারে পশু পালন করছেন। যাদের খামারে রয়েছে তিন থেকে ৭/৮টি গরু রয়েছে। সদর উপজেলার রায়পাশা ইউনিয়নের বারুজ্জেরহাট এলাকার ইকবাল হোসেন জানান, তার খামারে ৭টি গরু রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৮শ’ কেজি ওজনের লালমিয়ার দাম হাকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা। আর কালামিয়ার ওজন একই হলেও দাম হাকাচ্ছেন ৬ লাখ। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, জাত ভিন্ন হওয়ায় দামের ব্যবধান।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র বলছে, এ বছর বিভাগের ছয় জেলায় ২৬ হাজার ৫৭৮ জন খামারি কোরবানিযোগ্য ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫৪ পশু লালন পালন করেছেন। আর বিভাগে এবারের কোরবানিতে মোট পশুর চাহিদা ৪ লাখ ৩২ হাজার ৬১১টি।

খামারিরা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে কোরবানির পশুর দামে। খামারে লাইভ ওয়েট মেশিনে বিক্রি করা পশুর দামও কেজি প্রতি ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। হাটের চেয়ে খামারে লালনপালন করা পশু ঝুঁকি মুক্ত জানিয়ে এমন বাস্তবতা ক্রেতারাও মেনে নিয়েছেন।

বরিশালের এমইপি অ্যাগ্রো ফার্মের ইনচার্জ মো. রাফিউর রহমান জানিয়েছেন, ভারতীয় গরু না এলে কোরবানির বাজার স্থানীয় গরুর দখলে থাকবে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. আলী আশরাফ ভূঞা জানিয়েছেন, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিগত দিনের মতো পুলিশ সদস্যরা তৎপর থাকবে।

উল্লেখ্য, এ বছর বিভাগের ছয় জেলায় ৩২৮টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১৩৬টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম হাটগুলোয় কোরবানিযোগ্য পশুর সুস্থতা পরীক্ষা করবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD