প্রাকৃতিক সুইপার খ্যাত ‘শকুন’ এখন বিলুপ্ত Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




প্রাকৃতিক সুইপার খ্যাত ‘শকুন’ এখন বিলুপ্ত

প্রাকৃতিক সুইপার খ্যাত ‘শকুন’ এখন বিলুপ্ত




নিয়ামুর রশিদ শিহাব, গলাচিপা থেকে:
দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে এখন আর দেখা মিলে না চিরচেনা শকুনের। প্রকৃতির সুইপার খ্যাত শকুন দেখা যায় না বললেই চলে। এক সময় শকুন দেখা যেত সকল জায়গায়। উপকূলের বড় বড় গাছের মগডালে দেখা মিলত পাখিটি। শুধু পটুয়াখালীর গলাচিপায় নয়, সারা দেশেই এখন শকুন পাখিটির আর দেখা মিলছে না।
বন্য প্রাণী ও পাখি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শকুনের জাত রক্ষা করা না গেলে কয়েক বছরের মধ্যে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাবে এই শকুন। বাস্তবে নয় তখন বই ও ছবি দেখে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চেনাতে হবে। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে এখনো কোনোভাবে টিকে আছে সরু ঠোট প্রজাতির শকুন।

শকুন মৃত পশু-পাখি খেয়ে পরিবেশ দূষণ কমায়। একই সঙ্গে অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণু ছড়ানোর হাত থেকেও পরিবেশকে রক্ষা করে শকুন। এ কারণে একে বলা হয় ‘প্রকৃতির সুইপার’। ২০০ প্রজাতির পাখি হুমকির মধ্যে রয়েছে। গোটা পৃথিবীতে ২৩ প্রজাতির শকুন থাকলেও বাংলাদেশে দেখা যায় মাত্র সাত প্রজাতির। বর্তমানে তাও বিলুপ্ত প্রায়।

জানা গেছে, ৮০ দশকে গলাচিপাসহ দক্ষিনাঞ্চলে নদনদীর চরে দল বেঁধে আসত শকুনের ঝাঁক। এ ছাড়া ১৯৭১ সালের বিভিন্ন সময়ে রামনাবাদ নদে ভেসে আসা লাশের ওপর বসত ধূসর শকুন। গরু মহালের আকাশে ছায়া ফেলে চক্কর দিত শকুন-শকুনিরা। শকুন অশুভ তো নয়ই, হিংস্রও নয়। চিল, ঈগল বা বাজপাখির মতো শিকারিও নয়। এটা আমাদের পরিবেশের পরম বন্ধু। মৃত পশু খেয়ে শকুন আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। শকুন কখনোই জীবিত মানুষকে আক্রমণ করে না।

প্রখর দৃষ্টিশক্তির অধিকারী পাখিটি বটগাছ, কড়ইগাছ, শিমুল, বাঁশঝাড়, দেবদারু গাছে বাসা বানাত। এদের দৃষ্টি এতটাই প্রখর যে, অনেক উঁচু থেকেও এরা মাটি বা পানির ওপরে থাকা খাবার দেখতে পায়। এ পাখি একসঙ্গে ১৫ থেকে ২০টি ডিম পাড়ে। তিন সপ্তাহ তা দেওয়ার পর বাচ্চা ফোটে।

এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ২৫ বছর। তিন থেকে চার ফুট উচ্চতার হয় এ পাখি। দেশে দু’শ’ প্রজাতির পাখি হুমকির মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শকুনও। ক্রমাগত কমছে শকুনের সংখ্যা। সত্তরের দশক থেকে এ পর্যন্ত শকুন হ্রাসের পরিমাণ ৯৮ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত পশুর মাংস শকুনের কোনো ক্ষতি করে না।

 

কিন্তু ডাইক্লোফেনাক দেয়া হয়েছে এমন মৃত পশুর মাংস খেলে কিডনি নষ্ট হয়ে ২-৩ দিনের মধ্যে শকুনের মৃত্যু ঘটে। এ কারণে গত তিন দশকে উপমহাদেশে ৯৭% শকুন মারা গেছে। বর্তমানে শকুন বিলুপ্তি প্রায়। তাই শকুনকে এ বিলুপ্তি হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। এখনই যদি পরিবেশ রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ গ্রহন না করা হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে প্রাকৃতিক সুইপার শকুন।

প্রাকৃতিক সুইপার খ্যাত ‘শকুন’ এখন বিলুপ্ত
নিয়ামুর রশিদ শিহাব, গলাচিপা থেকে
দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে এখন আর দেখা মিলে না চিরচেনা শকুনের। প্রকৃতির সুইপার খ্যাত শকুন দেখা যায় না বললেই চলে। এক সময় শকুন দেখা যেত সকল জায়গায়। উপকূলের বড় বড় গাছের মগডালে দেখা মিলত পাখিটি। শুধু পটুয়াখালীর গলাচিপায় নয়, সারা দেশেই এখন শকুন পাখিটির আর দেখা মিলছে না।
বন্য প্রাণী ও পাখি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শকুনের জাত রক্ষা করা না গেলে কয়েক বছরের মধ্যে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাবে এই শকুন। বাস্তবে নয় তখন বই ও ছবি দেখে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চেনাতে হবে। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে এখনো কোনোভাবে টিকে আছে সরু ঠোট প্রজাতির শকুন।

 

শকুন মৃত পশু-পাখি খেয়ে পরিবেশ দূষণ কমায়। একই সঙ্গে অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণু ছড়ানোর হাত থেকেও পরিবেশকে রক্ষা করে শকুন। এ কারণে একে বলা হয় ‘প্রকৃতির সুইপার’। ২০০ প্রজাতির পাখি হুমকির মধ্যে রয়েছে। গোটা পৃথিবীতে ২৩ প্রজাতির শকুন থাকলেও বাংলাদেশে দেখা যায় মাত্র সাত প্রজাতির। বর্তমানে তাও বিলুপ্ত প্রায়।

জানা গেছে, ৮০ দশকে গলাচিপাসহ দক্ষিনাঞ্চলে নদনদীর চরে দল বেঁধে আসত শকুনের ঝাঁক। এ ছাড়া ১৯৭১ সালের বিভিন্ন সময়ে রামনাবাদ নদে ভেসে আসা লাশের ওপর বসত ধূসর শকুন। গরু মহালের আকাশে ছায়া ফেলে চক্কর দিত শকুন-শকুনিরা। শকুন অশুভ তো নয়ই, হিংস্রও নয়। চিল, ঈগল বা বাজপাখির মতো শিকারিও নয়। এটা আমাদের পরিবেশের পরম বন্ধু। মৃত পশু খেয়ে শকুন আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। শকুন কখনোই জীবিত মানুষকে আক্রমণ করে না।

প্রখর দৃষ্টিশক্তির অধিকারী পাখিটি বটগাছ, কড়ইগাছ, শিমুল, বাঁশঝাড়, দেবদারু গাছে বাসা বানাত। এদের দৃষ্টি এতটাই প্রখর যে, অনেক উঁচু থেকেও এরা মাটি বা পানির ওপরে থাকা খাবার দেখতে পায়। এ পাখি একসঙ্গে ১৫ থেকে ২০টি ডিম পাড়ে। তিন সপ্তাহ তা দেওয়ার পর বাচ্চা ফোটে। এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ২৫ বছর। তিন থেকে চার ফুট উচ্চতার হয় এ পাখি। দেশে দু’শ’ প্রজাতির পাখি হুমকির মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শকুনও। ক্রমাগত কমছে শকুনের সংখ্যা। সত্তরের দশক থেকে এ পর্যন্ত শকুন হ্রাসের পরিমাণ ৯৮ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত পশুর মাংস শকুনের কোনো ক্ষতি করে না।

 

কিন্তু ডাইক্লোফেনাক দেয়া হয়েছে এমন মৃত পশুর মাংস খেলে কিডনি নষ্ট হয়ে ২-৩ দিনের মধ্যে শকুনের মৃত্যু ঘটে। এ কারণে গত তিন দশকে উপমহাদেশে ৯৭% শকুন মারা গেছে। বর্তমানে শকুন বিলুপ্তি প্রায়। তাই শকুনকে এ বিলুপ্তি হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। এখনই যদি পরিবেশ রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ গ্রহন না করা হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে প্রাকৃতিক সুইপার শকুন।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares