পিরোজপুর প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের কাউখালীতে মিথ্যা গুম মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর পর গুম ব্যাক্তি মো. মহারাজ তালুকদার (১৯) কে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার ১৬দিন পর গতকাল রবিবার সকালে গুম হওয়া ভিকটিম ওই যুবকে কাউখালী মহাবিদ্যালয়ের পিছনে নদীর পাড়রের রাস্তা থেকে থানার এসআই মজিবুল হক উদ্ধার করে। সে উপজেলার ভলবদ্রপুর গ্রামের লিটন তালুকদারের ছেলে । উদ্ধার হওয়া ওই যুবককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভলবদ্রপুর গ্রামের লিটন তালুকদারের ছেলে মো. মহারাজ তালুদার কে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় ভিকটিমকে ভলবদ্রপুর লঞ্চঘাট সড়ক এর আজিজ খার স্ব-মিলে এর পূর্ব পাশে রাস্তার উত্তর সাইডে লিটন এর দোকানের সামনে থেকে অপহরণের পর গুম করা হয় বলে তার পরিবার আদালতে মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ মো. ছাব্বির হোসেনসহ চার জনকে আসামী করে ভলবদ্রপুর গ্রামের নিখোঁজ ওই যুবকের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে ঘটনার পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর একটি গুম মামলা দায়ের করেন। পিরোজপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ভিকটিম যুবককে উদ্ধারে পুলিশকে নির্দেশ দেন। পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে ঘটনার ১৬দিন পর ওই যুবককে উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া যুবক মো. মহারাজ তালুদার থানা পুলিশ কে জানায়, সে গুম মামলার বিষয়ে কিছুই জানেন। তাকে কেউ অপহরণ ও গুম করেনি।
সাজানো মামলায় অভিযুক্ত আবুল কালাম বলেন, ব্যবসায়ী কলহের জের ধরে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হয়রাণীর করতে এ মিথ্যা গুম মামলা দায়ের করা হয়।এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুম মামলাটি হয়রাণিমূলক। তদন্ত করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
Reporter Name 

















