পটুয়াখালীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




পটুয়াখালীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন

পটুয়াখালীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন




গলাচিপা প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভূমিহীন ও নিঃস্ব লোকদের একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেয়ার জন্য সরকার আশ্রয়ণ প্রকল্প কর্মসূচি গ্রহণ করলেও তা কাজে আসছে না।

দুটি উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোতে সরকারিভাবে কোনো সাহায্য সহানুভূতি পাচ্ছে না বলে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন। নীতিমালা অনুযায়ী ১০টি পরিবারের প্রতিটি শেডের জন্য চারটি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, দুটি গোসলখানা ও একটি ডিপটিউবওয়েল থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু এসব পায়খানা ও গোসলখানা দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।

নির্মাণের পরে দায়সারাভাবে কিছু সংস্কার করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী অধিবাসীরা জানান। সরেজমিন গিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের দুর্বিসহ জীবনযাপন দেখা গেছে। গ

লাচিপা তালেব নগর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম জানান, কোনো নাগরিক সুবিধা না থাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোতে অনেকে ঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছে। বেড়িবাঁধের বাহিরে হওয়ায় সামান্য জোয়ার বা কোনো নিম্নচাপ হলেই নদীর পানি বসতঘরের মধ্যে ঢুকে যায়।

২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় গলাচিপা উপজেলার রামনাবাদ নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। এখানে প্রতিটি শেডে ১০টি করে পরিবার বসবাস করবে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন থেকে ২৭০ ভূমিহীন ও দুঃস্থ পরিবার বাছাই করার পর তারা এখানে বসবাস করে। এরমধ্যে গজালিয়া ইউনিয়নের ৫০টি পরিবার, আমখোলা ইউনিয়নের ৩০টি পরিবার, ডাকুয়া ইউনিয়নের ৪০টি পরিবার, পানপট্টি ইউনিয়নের ২৫টি পরিবার, উলানিয়া ইউনিয়নের ৩৫টি পরিবার, চিকনিকান্দী ইউনিয়নের ২৯টি পরিবার ও অন্যান্য ইউনিয়নের ৬১টি পরিবার দীর্ঘ দিন বসবাস করে আসছেন।

বাকিরা নাগরিক সুবিধা না পেয়ে ও সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায়, নিরাপত্তার অভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্প ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। আবার অনেকে একটি কক্ষ বরাদ্দ পেলেও জোরপূর্বক একাধিক কক্ষ ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সুবিধার জন্য একটি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তাও প্রভাবশালী বাসিন্দারা দখল করে রাখার ফলে এখানে স্কুল থাকার পরেও বাসিন্দাদের অর্ধশতাধিক ছেলেমেয়েরা অন্যান্য স্কুলে পড়াশোনা করছে।

এ ব্যাপারে গলাচিপা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিন শাহ বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares