মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক।। এসটিভি অনলাইনে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলার গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের নিয়ে সময়ের আলাপন নামে বত4র্6মান করোনাভাইরাস বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার কথা ও করোনা মোকাবেলার কথা তুলে ধরেন অতিথিরা। এর ন্যায় গতকালের সময়ের আলাপনে বরিশাল থেকে যোগদেন বরিশাল ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি হোমায়েত উদ্দিন শিকদার।
তিনি উক্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই বরিশালের প্রশাসক ও মেয়র মহোদ্বয়ের প্রশংসা করেন। এছাড়াও বরিশালের করোনা প্ররিস্তিতি মোকাবেলা নিয়ে প্রশাসন ও মেয়র মহোদ্বয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমকে তুলে ধরেন। এমন আলোচনা অনলাইনে দেখে বরিশালের বিভিন্ন মহলের মুখে মুখে আলোচনায় হেমায়েত উদ্দিন শিকদার। বিভিন্ন মানুষ হেমায়েত শিকদারের এমন আলোচনাকে সাধুবাদ জানান এবং বলেন হেমায়েত শিকদারের এমন আলোচনায় আনতে পারে গরিব মানুষের খাবার।
এবিষয়ে, বরিশালের সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তিদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আজ বিকেল পাঁচটায় সময়ের আলাপন নামের একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে বরিশালের মেয়র মহোদয় ও বরিশালের প্রশাসনের করোনা ভাইরাস সম্প4র্6কৃত একটি ভিডিও দেখতে পাই ভিডিওটি প্রথমে ভালো না লাগলেও হোমায়েত উদ্দিন শিকদারের আলোচনা একদম ভালো লাগার মতন। যা কেউ করেনি তা তিনি করেছেন। বত4র্6মান করোনাবাইরাস মোকাবেলায় সবাই জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন নিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট ও অসত্যকথা বলে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিসহ নেতাদের মানসম্মান নষ্ট করার পায়তারা করলেও সে ভিন্নরুপ দেখালো। সে বরিশালের করোনামোকাবেলার সকল বাস্তব ও সফল কায4র্6ক্রমগুলো তুলে ধরছেন।
এবিয়টি জানতে হেমায়েত উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ত্রিশ বছর প্রবাসে জীবন যাপন করেছি। বেশিদিন হয়নি বাংলাদেশে আসছি। এর মধ্যেই পরতে হয়েছে ভয়াবহ একটি ভাইরাসের মুখে। সারাদিন বাসায় থাকি আর বিভিন্ন অনলাইনে ঘোড়াঘুরি করি। করোনার সময়ে করোনা নিয়েই সারাদিন খোঁজ রাখি কোথায় কি হচ্ছে। আর বরিশাল তো আমার জন্মস্থান এখানের জন্য সবসময় মায়া তাই সবসময় বরিশালের চারপাশে চোঁখ রাখতাম আর দেখতাম কোনদিন কখন আমাদের বরিশালে প্রশাসন এবং সফল মেয়র মহোদ্বয় করোনা মোকাবেলায় কি করছেন। প্রতিদিনই দেখতাম তাদের কায4র্6ক্রমগুলো আর মনের মধ্যে একটু শান্তির ছায়া পেতাম। কারন একটাই সারাদেশে জনপ্রতিনিধিরা যখন চাল চুরিতে ব্যস্ত ছিলো কিন্তু বরিশালের মেয়র মহোদ্বয় তখন মানুষের মুখে খাবার দিতে ব্যস্ত ছিলেন। এমনকি তার সম্মানির লক্ষাধিক টাকাও প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিয়ে দিলো।
নিশ্চই এগুলো প্রশংসনিয় কাজ এবং সমাজের দায়ভার তারা সম্পুন4র্6 কাধে নিলো। আমি সময়ের অভাবে সব বিষয়ে কথা বলতে পারিনা আশা করি সামনে কোনদিন সুযোগ পেলে বরিশালে এমন সফলতার কথা তুলে ধরবো যাতে করে তাদের এমন উদ্দ্যোগ দেখে যেন বৃত্তবানরাও এগিয়ে আসে।
Leave a Reply