বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি॥ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বন কর্মকর্তার সহযোগিতায় রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির ছেলে পলাশ এবং ৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।
তারা সামাজিক বনায়নের সড়কের ১৫টি গাছ কেটেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ও উপজেলা বন কর্মকর্তার পরোস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে একটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা বুধবার তদন্তে আসে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাকাল-বাটরা-বাহাদুপুর সড়কের বাটরা বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বের সড়ক থেকে সোম ও মঙ্গলবার শিশু গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির ১৫টি গাছ কেটে নিয়েছে পলাশ ও তপন সরকার।
সরকারি গাছ কাটার পূর্বে গাছের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিত অনুমতি নিয়ে টেন্ডার আহ্বান করার নিয়ম থাকলেও তা করেনি উপজেলা বনবিভাগ। প্রায় দুই লাখ মূল্যের গাছ টাকা টেন্ডার ছাড়া অবৈধভাবে উপজেলা বন কর্মকর্তা মনিন্দ্রনাথ হালদার ওই গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার বলেন, সড়ক ভাঙন রোধে এই গাছ উপজেলা বনবিভাগের অনুমতি নিয়ে আমরা কেটেছি। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াছ তারলুকদার কাছ কাটার বিষয়টি জানে।
এব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা মনিন্দ্র নাথ হালদার বলেন, বাটরা বাজারের দক্ষিণ পাশে গাছের কারণে সড়ক ভেঙে যায় বলে ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার আমাকে জানান। আমি ওই স্থানে যাওয়ার পূর্বেই স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার ও রাজিহার ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি হরে কৃষ্ণ কাচারীর ছেলে পলাশ তারা শ্রমিক নিয়ে ওই গাছ কেটে ফেলেছে। আমি গিয়ে ওই ১৫টি গাছে নম্বর দিয়ে লট তৈরি করে রেখেছি। আমি বিষটি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এবিষয়ে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা বুধবার তদন্তে আসছিল।
এব্যাপারে রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার বলেন, আমি উপজেলা বন কর্মকর্তাকে বলেছি সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। আমি কাউকে গাছ কাঁটতে বলিনি।
Leave a Reply