মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
বরিশাল ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক বরিশাল মুখপত্র পত্রিকায় গত ১৮ মার্চ ২০২৬ “বাংলাদেশ ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট দোসরা এখনও বহাল তবিয়তে; করছে নানা অপকর্ম: সুনাম নষ্ট হচ্ছে ব্যাংকের!” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটিতে আমি সহ অন্যদেরকে জড়িয়ে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর।
উক্ত সংবাদে আমাকে তথাকথিত ‘নতুন নোট বিক্রির সিন্ডিকেট’-এর সঙ্গে জড়িত বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। আমি দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মহানগর শ্রমিক দলের একজন সক্রিয় সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে ২০১৮ সালে বরিশালের বাংলাদেশ ব্যাংক সি.বি.এ রুমে ঢুকে শেখ মুজিবুর রহমান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ছবি ভাঙচুরের ঘটনা উল্লেখ করে আমাকে সেই মামলায় দুই নম্বর আসামী করা হয়েছিল। উক্ত ভাঙ্চুরের ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো ও ভিত্তিহীন।
আমি কখনোই কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড, আর্থিক অনিয়ম কিংবা ব্যাংকসংক্রান্ত কোনো সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না এবং বর্তমানে এমন কোনো কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িত নই।
সংবাদটিতে আমার রাজনৈতিক পরিচয় বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য নেওয়ারও কোনো চেষ্টা করা হয়নি, যা স্পষ্টভাবে একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদনের প্রমাণ বহন করে।
একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে আমাকে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এহেন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে বলে আমি মনে করি। তাই প্রকাশিত উক্ত সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মো. আনোয়ারুজ্জামান
সুপারভাইজার
বাংলাদেশ ব্যাংক
বরিশাল শাখা। বরিশাল।
Leave a Reply