ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বাঁশ চুরি করার অভিযোগ |

শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বাঁশ চুরি করার অভিযোগ

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বাঁশ চুরি করার অভিযোগ

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বাঁশ চুরি করার অভিযোগ




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বর্ধিত ক্যাম্পাসের জন্য কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের রাজারখলা-চৌধুরীখলা এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব এলাকার বেশিরভাগই কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের গাছের বাগান ও বাঁশঝাড়ে ঘেরা। জমি অধিগ্রহণের দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অভাবে অধিগ্রহণের আওতায় থাকা এসব জায়গায় রাত হলেই শুরু হয় গাছ ও বাঁশ চুরির উৎসব।

 

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন সময় নোটিশ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা থেকে গাছ-বাঁশ কাটতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি বিক্রি করেছেন এমন কয়েকজন বলেন, গাছ-বাঁশ কাটতে যারা আসে তারা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের পরিচয় দেয়। দেড় বছর আমার জমি অধিগ্রহণে পড়েছে। কিন্তু এখনো টাকা পাইনি। আবার আমরা জমির কোনো গাছ-বাঁশ আনতে পারি না। কিন্তু নেতাদের নাম দিয়ে ঠিকই কেটে নিয়ে যায়। এখানে জোর যার মুল্লুক তার।’

 

 

এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী, তাঁর ভাই সরওয়ার সাহেব এবং আমার নাম ব্যবহার করে প্রতারক চক্র এসব করছে। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে জানাবো।

 

 

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মো. জামাল হোসেন বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলেই প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে ব্যবস্থা নেব। অল্প-বিস্তর কিছু অভিযোগ পেয়েছি, যার সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, গাছ কেটে নিচ্ছে এটা আমরা জানি। কিন্তু এখানে কিছু করতে পারবো না। কারণ, ডিসি অফিস জমি অধিগ্রহণ করে আমাদেরকে না দেওয়া পর্যন্ত এ জমির মালিক আমরা না। এছাড়া জনবল কম থাকায় পাহারাও বসাতে পারছি না। আমরা ডিসি অফিসকে জানিয়ে রাখছি। ডিসি অফিসও কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares