মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়॥ অর্থহীন পৃথিবী আলোহীন দৃষ্টির মতোই। যে ফুল ফোটার আগেই ঝড়ে যেতে বসে সেই বাগানের মালির কতইনা কষ্ট হয়। যে বয়সে দূর্বার-দূরন্ত হয়ে অন্যদের মতো সহপাঠি বা এলাকার বন্ধুদের সাথে একপাড়া থেকে অন্য পাড়ায় ঘুরে বেড়ানোর কথা।
যে বয়সে সকাল-বিকেল লেখার মাঠে যাবার কথা। যখন পিতা-মাথার সাথে স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাবার কথা।সেই বয়সে আব্দুল্লাহ (৮) নামের অবুঝ এক শিশু কিডনি ও লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে বাঁচার জন্য চিকিৎসার অর্থ যোগার করতে। প্রতিনিয়ত পিতা-মাতার হাত ধরে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর অভিনয়রত মানুষের কাছে নিজের বাঁচার জন্য’ই তার এই ছুটে চলা। তবুও সেই ছুটে চলা আজও তাকে আশার আলো দেখাতে পারেনি। তারপরেও পিতা-মাতার হাত ধরে এগিয়ে চলাকে শিশু আব্দুল্লাহ’র মনে অনেক তৃপ্তি এনে দেয়।
জাগায় বেঁচে থাকার সাহস। হয়তোবা আব্দুল্লাহর মনের ধারণা পিতা-মাতা হাত ধরে আছে কিছুই হবেনা তার। কেননা সে বোঝেনা তার রোগটা কতো কঠিন। শিশু আব্দুল্লাহর অবুঝ অবয়বে তাকালে মনে হয় কি যেন বলতে চায় তার ছল ছল দুটি আঁখি। হ্যা অসহায় ওই চোখ দুটি প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন আপনারা।
বলতে চাচ্ছে আপনারা এক কাপ চা কম খেয়ে বিচিত্র ভূবনে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয়ার জন্য আমাকে সহায়তা করুণ একটি করে টাকা দিয়ে।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়নের লবনসাড়া গ্রামের দিন মজুর খলিল খানের ছেলে ও স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ। কিডনি ও লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে তার হাত-পা ও পেট সহ সারা শরীরে পানি জমে সুচিকিৎসার অভাবে সে ক্রমশ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ শিশু পুত্রকে নিয়ে তার হতদরিদ্র বাবা-মায়ের নয়নের অশ্রু ছাড়া অবশিষ্ট আর কিছুই নেই।
হতদরিদ্র পরিবারের এ শিশুটিকে নিজের সন্তান কিংবা স্বজন ভেবে মানবিক দৃষ্টির নির্মলতায় সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিলে সে পুনরায় সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে। বরিশালে চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার কিডনি ও লিভারে জটিল সমস্যা ধরা পড়ে।
ঢাকায় নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সুচিকিৎসা করালে সুস্থ হয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে আবদুল্লাহর। কিন্তু তার হতদরিদ্র দিনমজুর পিতার পক্ষে সেই খরচ বহন করে ছেলের উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। ফলে নিরুপায় হয়ে ছেলেকে বাঁচাতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ দেশ-বিদেশের সহৃদয়বান বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য করুন আকুতি-মিনতি জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর মো. খলিল খান ০১৭৭৭০২১০০৫।
Leave a Reply