মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সম্ভাব্য সংকট ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সামনের দিনগুলো খুব সহজ নয়, কঠিন সময় সামনে অপেক্ষা করছে।”
তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে যা রুখে দিতে না পারলে জাতির অগ্রযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করাই একমাত্র উপায়। “জনগণের মতামতকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে যেকোনো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যাবে।”
দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিকে তিনি দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “নারী উন্নয়ন, কৃষি খাত, স্বাস্থ্যসেবা—সবকিছুই ভেস্তে যাবে যদি দুর্নীতি বন্ধ না করা যায়। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার দায়িত্ব বিএনপিই সফলভাবে পালন করতে পারে।”
দেশ পরিচালনার নৈতিক দায়িত্ব ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে লক্ষ লক্ষ মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়েছিল। আজ দেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেও ঠিক তেমন ঐক্য ও ত্যাগ দরকার।”
স্বৈরাচার সরকারের দমননীতি নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তারা মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে, রাজনৈতিক অধিকার হরণ করেছে। সেই রক্তচক্ষুর মধ্যেও আমরা ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিলাম।”
তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, “যারা আজ বিএনপিকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা যেন স্মরণ করে ১৯৭১ সালে কীভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা, নির্যাতন ও অসন্মান করা হয়েছিল।”
ধর্মীয় বিষয়ে রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, “কে বেহেশতে যাবে আর কে দোজখে—তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আল্লাহ ছাড়া কারও নেই। এসব দাবি করা শিরক।”
Leave a Reply