বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




একুশে আগস্টের হামলায় সক্রিয় ছিলো ৫ জঙ্গি সংগঠন

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:07:16 pm, Tuesday, 21 August 2018
  • 26 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক : একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী ৩ দেশে সক্রিয় ৫টি জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততা ছিলো। মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন বিএনপি ও জামাতের ৭ নেতা, ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের সাবেক ১৩ কর্মকর্তাসহ জঙ্গি এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টরা। ১৫ বছর আগে বিএনপি-জামাত জোট সরকার আমলের ভয়ঙ্কর এই গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে নানামুখী ষড়যন্ত্র হয়েছে। সাজানো হয়েছিল জজ মিয়া নাটক। চলতি বছরের শেষ নাগাদ চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় দেয়া হতে পারে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা ২০০৪ সালে ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হিযবুল মুজাহিদিন, তেহরিক-ই-জিহাদি ইসলামি, লস্কর-ই-তৈয়বা, জয়েশ-ই-মোহাম্মদ, হরকাতুল মুজাহিদিন, হরকাতুল জিহাদের মতো সংগঠন হামলার সাথে জড়িত। হামলার নেপথ্যে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

মামলার নথিপত্র বলছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৬ জন ও জামাতের এক নেতা। এছাড়া ডিজিএফআই’র সাবেক ২ কর্মকর্তা, এনএসআই’র সাবেক ৩ কর্মকর্তা, পুলিশের সাবেক ৮ কর্মকর্তা, একজন পরিবহন ব্যবসায়ী, এক পাকিস্তানি নাগরিক ও আইএসআই নিয়ন্ত্রিত ৫টি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের ৩০ নেতাকর্মী। অন্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামির ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ৪৯।

তথ্য অনুযায়ী-এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছে ২৩ জন। পলাতক ১৮ আর জামিনে আছেন ৮ জন। হামলায় সরাসরি অংশ নেয় ১২ জন। তাদের হাতে ছিল ১৫টি গ্রেনেড। এর মধ্যে ১৩টি নিক্ষেপ করে জঙ্গিরা। একটি ছাড়া সবগুলোই বিস্ফোরিত হয়।

নথিপত্র বলছে, বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে সংঘটিত এ হামলায় ছিচকে সন্ত্রাসী জজ মিয়াকে ঘটনার অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা হয়। আর বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির তদন্তও ছিল নামকাওয়াস্তে।

২০০৮ সালের ১১ জুন ২২ জনকে আসামি করে এ মামলার প্রথম অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। পরের বছর ৩ আগষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। ২০১১ সালের ৩ জুলাই আরও ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। পরের বছর ১৮ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হয়। মামলার ৪৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২৫ জন।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দু’টি মামলার বিচার এক সাথে চলছে। শিগগিরই মামলার রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।https://www.youtube.com/watch?v=tBVbjfvgrSM

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

একুশে আগস্টের হামলায় সক্রিয় ছিলো ৫ জঙ্গি সংগঠন

প্রকাশের সময় : 06:07:16 pm, Tuesday, 21 August 2018

অনলাইন ডেস্ক : একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী ৩ দেশে সক্রিয় ৫টি জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততা ছিলো। মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন বিএনপি ও জামাতের ৭ নেতা, ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের সাবেক ১৩ কর্মকর্তাসহ জঙ্গি এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টরা। ১৫ বছর আগে বিএনপি-জামাত জোট সরকার আমলের ভয়ঙ্কর এই গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে নানামুখী ষড়যন্ত্র হয়েছে। সাজানো হয়েছিল জজ মিয়া নাটক। চলতি বছরের শেষ নাগাদ চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় দেয়া হতে পারে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা ২০০৪ সালে ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হিযবুল মুজাহিদিন, তেহরিক-ই-জিহাদি ইসলামি, লস্কর-ই-তৈয়বা, জয়েশ-ই-মোহাম্মদ, হরকাতুল মুজাহিদিন, হরকাতুল জিহাদের মতো সংগঠন হামলার সাথে জড়িত। হামলার নেপথ্যে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

মামলার নথিপত্র বলছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৬ জন ও জামাতের এক নেতা। এছাড়া ডিজিএফআই’র সাবেক ২ কর্মকর্তা, এনএসআই’র সাবেক ৩ কর্মকর্তা, পুলিশের সাবেক ৮ কর্মকর্তা, একজন পরিবহন ব্যবসায়ী, এক পাকিস্তানি নাগরিক ও আইএসআই নিয়ন্ত্রিত ৫টি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের ৩০ নেতাকর্মী। অন্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামির ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ৪৯।

তথ্য অনুযায়ী-এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছে ২৩ জন। পলাতক ১৮ আর জামিনে আছেন ৮ জন। হামলায় সরাসরি অংশ নেয় ১২ জন। তাদের হাতে ছিল ১৫টি গ্রেনেড। এর মধ্যে ১৩টি নিক্ষেপ করে জঙ্গিরা। একটি ছাড়া সবগুলোই বিস্ফোরিত হয়।

নথিপত্র বলছে, বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে সংঘটিত এ হামলায় ছিচকে সন্ত্রাসী জজ মিয়াকে ঘটনার অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা হয়। আর বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির তদন্তও ছিল নামকাওয়াস্তে।

২০০৮ সালের ১১ জুন ২২ জনকে আসামি করে এ মামলার প্রথম অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। পরের বছর ৩ আগষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। ২০১১ সালের ৩ জুলাই আরও ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। পরের বছর ১৮ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হয়। মামলার ৪৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২৫ জন।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দু’টি মামলার বিচার এক সাথে চলছে। শিগগিরই মামলার রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।https://www.youtube.com/watch?v=tBVbjfvgrSM