শিক্ষকের ধর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা Latest Update News of Bangladesh

শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




শিক্ষকের ধর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

শিক্ষকের ধর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা




অনলাইন ডেস্ক:ফেনীর দাগনভূঞার খুশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রীর অভিভাবক লিখিত অভিযোগে দাবি করেছে, ধর্ষণের শিকার হয়ে তাদের ১২ বছরের শিশু সন্তান অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (৫ এপ্রিল) বিকালে ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

উপজেলার খুশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী এ বছর জানুয়ারি মাসে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীর মা দাগনভূঞা থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, আবদুল করিম (৫৫) নামের ওই প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বর্তমানে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন, মেয়ের পেটে পাথর হয়েছে কিংবা পাকস্থলীর অন্য কোনও সমস্যা। তবে গত মাসে তারা এক চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

জায়লস্কর ইউপির চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মিলন জানান, গত কিছুদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেনি। স্থানীয় গ্রাম ডাক্তারের চিকিৎসায় কোনও কাজ না হওয়ায় সম্প্রতি তাকে নেওয়া হয় ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ধরা পড়ে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি। পরবর্তীতে বাড়ি ফেরার পর স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত বলে জানায় ওই শিক্ষার্থী। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টাও হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত জানাজানি হয়।

দাগনভূঞা থানার ওসি ছালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, শিক্ষাথীর অভিভাবকরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার পরই অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল করিমকে আটক করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।ফেনীর পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার পিপিএম বলেন, ‘শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা বিষয় নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে এই ঘটনায় দ্রুত মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares