এক সিজারিয়ান রোগীর পেটে রক্তমাখা কাপড় রেখে সেলাই দিলেন চিকিৎসক! Latest Update News of Bangladesh

শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




এক সিজারিয়ান রোগীর পেটে রক্তমাখা কাপড় রেখে সেলাই দিলেন চিকিৎসক!

এক সিজারিয়ান রোগীর পেটে রক্তমাখা কাপড় রেখে সেলাই দিলেন চিকিৎসক!

এক সিজারিয়ান রোগীর পেটে রক্তমাখা কাপড় রেখে সেলাই দিলেন চিকিৎসক!




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে এক সিজারিয়ান রোগীর পেটে রক্ত পরিষ্কার করা (মফস) কাপড় রেখেই পেট সেলাই করেছেন আনিছুর রহমান নামে এক চিকিৎসক। উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটেছে। সিজারের ৮ দিনের মাথায় গত রোববার আরেকটি ক্লিনিকে দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করে পেটের মধ্যে থাকা রক্তমাখা কাপড় বের করা হয়। এ নিয়ে হইচই পড়ে গেছে। রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন।

 

 

জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামের পিকুলের সন্তানসম্ভবা মেয়ে রুনা খাতুন সিজারের জন্য ভর্তি হয় কোটচাঁদপুর শহরের একটি ক্লিনিকে। গত ২০ মার্চ সেখানে সিজার করেন জীবননগরের (আদি বাড়ি মাগুরা) চিকিৎসক আনিছুর রহমান। সিজারের সময় রোগীর পেটের মধ্যে মফস রেখে সেলাই করা হয়।

 

 

রোগীর খালু বাবু মিয়া জানান, কিছুদিন পর রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে ঝিনাইদহ শহরের একটি ক্লিনিকে আল্ট্রাসনো করা হয়। রিপোর্টে পেটের মধ্যে কাপড়ের অস্তিত্ব মেলে। পরে দ্রুত রুনা খাতুনকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। রোববার (২৮ মার্চ) রোগীকে দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করেন ডা. জাহিদ।

 

 

ডা. জাহিদ জানান, রোগীর পেট থেকে রক্ত, পুজ ও মফস জাতীয় জিনিস বের করা হয়। তবে রোগী এখন সুস্থ। চিকিৎসকদের আরো সতর্ক ও সচেতন না হলে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে জানান তিনি।

 

 

কোটচাঁদপুর সিটি ক্লিনিকের মালিক জাহাঙ্গীর জানান, ডাক্তাররা তো অপারেশন করেই খালাস। কিন্তু ভুল চিকিৎসার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ঝামেলা তো ক্লিনিক মালিকদেরই পোহাতে হয়। ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রোগীকে সাপোর্ট দেয়া হচ্ছে। তবে ভুল চিকিৎসার চিকিৎসক ডা. আনিছুর রহমানের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। অফিস বন্ধ থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারিনি। দায়ী চিকিৎসক ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares