সংবাদ শিরোনাম:




বাউফলে ভূল চিকিৎসায় নবজাতক ও মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:51:33 am, Thursday, 4 April 2019
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




আমজাদ হোসেন, বাউফল প্রতিনিধি :পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় মা ও নবজাতক শিশু মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার,২রা এপ্রিল রাতে উপজেলার কালাইয়া বন্দর লঞ্চ ঘাট সড়ক এলাকায় অবস্থিত বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সাহেদা গফুর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল এসে ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। মৃত মায়ের নাম- মোসা জুলিয়া বেগম। জুলিয়া উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ রানার স্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, প্রসূতী জুলিয়া মঙ্গলবার (২রাএপ্রিল) সাহেদা গফুর হাসপাতালে ভর্তি হন। যথারীতি তার প্রাথমিক সকল পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক আফিয়া ফারজানা তন্নী রাত ১০টার দিকে তাকে (জুলিয়া) সিজারিয়ান করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তখন বাইরে অপেক্ষায় তার স্বজনরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পড়েও অপরেশন থিয়েটার থেকে কোন সারা না পাওয়ায় জুলিয়ার পরিবার থেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। ধীরে ধীরে রাত গভীর হতে থাকে। রাত ১টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় রোগীর অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশাল প্রেরণ করা হবে। তখন হাসপাতালের নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে ও নবজাতক শিশুকে উঠাতে গেলে স্বজনদের নজরে আসে। তখন তারা দেখতে পায় মা ও শিশু উভয়ই মৃত। এ নিয়ে হাসপাতালে মৃতের স্বজনরা হট্রগোল শুরু করলে মৃতের স্বজনদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়।

এক পর্যায়ে তারা ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশ এসে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এ বিষয়ে চিকিৎসক আফিয়া ফারজানা তন্নী বলেন, এ্যানেস্থিয়া অবেদন ফেল করার কারনে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ্যানেস্থসিয়া কোন চিকিৎসক দিয়েছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তন্নী বলেন, চিকিৎসক সঞ্জয় এ্যানেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুষ করেছেন। এখানে আমার কোন দায় নাই। অবশ্য চিকিৎসক (অবেদন বিদ) সঞ্জয় কুমার সাহা এর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বাউফলে ভূল চিকিৎসায় নবজাতক ও মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রকাশের সময় : 12:51:33 am, Thursday, 4 April 2019

আমজাদ হোসেন, বাউফল প্রতিনিধি :পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় মা ও নবজাতক শিশু মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার,২রা এপ্রিল রাতে উপজেলার কালাইয়া বন্দর লঞ্চ ঘাট সড়ক এলাকায় অবস্থিত বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সাহেদা গফুর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল এসে ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। মৃত মায়ের নাম- মোসা জুলিয়া বেগম। জুলিয়া উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ রানার স্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, প্রসূতী জুলিয়া মঙ্গলবার (২রাএপ্রিল) সাহেদা গফুর হাসপাতালে ভর্তি হন। যথারীতি তার প্রাথমিক সকল পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক আফিয়া ফারজানা তন্নী রাত ১০টার দিকে তাকে (জুলিয়া) সিজারিয়ান করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তখন বাইরে অপেক্ষায় তার স্বজনরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পড়েও অপরেশন থিয়েটার থেকে কোন সারা না পাওয়ায় জুলিয়ার পরিবার থেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। ধীরে ধীরে রাত গভীর হতে থাকে। রাত ১টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় রোগীর অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশাল প্রেরণ করা হবে। তখন হাসপাতালের নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে ও নবজাতক শিশুকে উঠাতে গেলে স্বজনদের নজরে আসে। তখন তারা দেখতে পায় মা ও শিশু উভয়ই মৃত। এ নিয়ে হাসপাতালে মৃতের স্বজনরা হট্রগোল শুরু করলে মৃতের স্বজনদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়।

এক পর্যায়ে তারা ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশ এসে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এ বিষয়ে চিকিৎসক আফিয়া ফারজানা তন্নী বলেন, এ্যানেস্থিয়া অবেদন ফেল করার কারনে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ্যানেস্থসিয়া কোন চিকিৎসক দিয়েছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তন্নী বলেন, চিকিৎসক সঞ্জয় এ্যানেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুষ করেছেন। এখানে আমার কোন দায় নাই। অবশ্য চিকিৎসক (অবেদন বিদ) সঞ্জয় কুমার সাহা এর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।