বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ধস Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ধস

বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ধস




আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে; তবে ভারতীয় ভোক্তারা প্রত্যাশিত সুফল পাচ্ছেন না। সীমান্তে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় রপ্তানিকারকরা ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে ৫০ কেজির বস্তা ১০০ রুপিতে বিক্রি হলেও মালদহ শহরের বাজারে এখনো প্রতিকেজি ২০–২২ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, সরকার ও প্রশাসনের অবহেলায় রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অথচ ভোক্তারা স্বাভাবিক বাজারদর পাচ্ছেন না।

রপ্তানিকারকদের ভাষ্য, বাংলাদেশ হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করায় তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন। দুই মাস আগে বাংলাদেশে স্বাভাবিক রপ্তানি বিবেচনায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ সীমান্তে মজুত করেছিলেন তারা। নাসিক থেকে ১৬ রুপিতে কিনে পরিবহনসহ প্রতিকেজি ২২ রুপি খরচ পড়ে। রপ্তানির মাধ্যমে কেজিতে ৮–১০ রুপি লাভের সুযোগ থাকলেও এখন তা উল্টো লোকসানে পরিণত হয়েছে। বড় অংশের পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে প্রতিদিন আলাদা করতে হচ্ছে।

মালদহের ক্রেতা খায়রুল হক বলেন, “ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত আর বাজারে এখনও ৩০ রুপি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে—এটা সরকার ও প্রশাসনের ব্যর্থতা ছাড়া কিছু নয়।”

এদিকে কলকাতা ও আশপাশের শহরেও এখনও মানসম্মত পেঁয়াজ ২৫–৩০ রুপি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের মতে, গুদামের স্টক বাজারে এলে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে রপ্তানিকারকদের ক্ষতি কমাতে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন বলে বিশ্লেষকদের মত।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD