বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বরগুনায় বাপ-দাদার ভিটে থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা!

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:41:59 pm, Thursday, 20 January 2022
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




আমতলী প্রতিনিধি॥ বরগুনার আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ওয়াবদা মিঠাবাজার সড়কে দুটি হিন্দু পরিবারকে তাদের বাপ-দাদার ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বর্তমানে উচ্ছেদ আতংকে দুই পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌরশহরের ৪নং ওয়ার্ডের মিঠাবাজার এলাকার মৃত্যু স্বপন দাসের পুত্র সঞ্জীব দাস ও তার চাচা রূপক দাস বাপ-দাদা থেকে পূর্ব-পুরুষরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে ৮ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তারা শান্তিতে বসবাস করলেও বিপত্তি বাধায় ওই এলাকার প্রভাবশালী মো. মজিবুর রহমান ও তার ভাই শাহাবুদ্দিন।

 

 

তারা সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের কোটি টাকা মূল্যের জমি বন্দোবস্ত নীতিমালা অমান্য করে, ভূমি অফিসের কাছে তথ্য গোপন করে ও অসত্য তথ্য দিয়ে ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন।

 

 

মজিবর রহমান এবং তার ভাই শাহাবুদিনের নামে আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী মৌজার জেএল নং ২৯ খতিয়ান নং ৪৩০ ও ৪২৭ এর ১৬১৬, ১৭১৫, ১৭৫১, ১৮০৪, ১৮০৫, ১৮০৬, ১৮০৭ নং দাগে ২.৫৬ একর জমি রয়েছে ও আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কোটি টাকা মূল্যের রের্কডিও সম্পত্তি রয়েছে। তারপরেও দুই ভাইয়ের নামে ১০ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে।

 

 

অভিযোগকারী সঞ্জীব দাস ও তার চাচা রূপক দাসের পিতা ও দাদা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওই জমিতে টিনশেড ঘর তুলে বসবাস করছেন। তাদের ওই ঘরের পিছনেই মজিবুর রহমান মাস্টার মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১নং সরকারি খাস খতিয়ানের যে কোটি টাকা মূল্যের জমি বন্দোবস্ত নিয়েছে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করছেন। কিন্তু নির্মাণাধীন ভবনে যাওয়ার জন্য সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের ঘর দুটি না থাকলে তার অনেক জন্য সুবিধা হয়। এজন্য মজিবুর রহমান একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। ওই সংখ্যালঘু পরিবার দুটি অসহায় ও গরিব তারা মজিবর রহমান মাস্টারের দেওয়া মামলায় হাজিরা দিতে দিতে অর্থভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন করছেন। এমন অবস্থা হয়েছে বর্তমানে পরিবার দুটি অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন। অপরদিকে মজিবুর রহমান তার পুত্র মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, তার স্ত্রী কহিনুর বেগম এবং তার ভাইয়ের স্ত্রী ছকিনা বেগমের অব্যাহত হুমকিতে তারা ওই জমি থেকে উচ্ছেদ আতংকে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বসবাস করছেন।

 

 

২০০৭ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডরে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের বসবাস করার ঘর দুটো ভেঙে একাকার হয়ে গেলেও মজিবুর মাস্টারের অব্যহত হুমকিতে ওই ঘরের কোনো কাজ করতে পারেনি। সেই ভাঙ্গাচুরা ঘরে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাস পরিবার-পরিজন নিয়ে দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

 

 

পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রিয়াজ উদ্দিন উদ্দিন মৃধা মুঠোফোনে বলেন, আমরা ছোট্টকাল থেকে দেখে আসছি সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের পরিবার এখানে বসবাস করে আসছে। মজিবর রহমান তার সুবিধার জন্য হিন্দু পরিবার দুটিকে উচ্ছেদের জন্য পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। গায়ের জোরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হিন্দু পরিবার দুটি যাতে ইচ্ছা করে অন্যাত্র চলে যায় তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এ ছাড়া মজিবর রহমান কোনো শালিস ও বিচার ব্যবস্থাও মানেন না।

 

 

আমতলী হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার মজুমদার মুঠোফোনে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে সঞ্জীব দাস, রূপক দাসের পরিবার ওই জমিতে বসবাস করে আসছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জমি ইজারা নিয়ে তারা ওখানে বসবাস করছেন। সেখানে মজিবর যেভাবে হিন্দু পরিবার দুটিকে হয়রানি করছেন তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

 

সঞ্জীব দাস ও রূপক দাস বলেন, আমাদের এই ভিটি দুটি ছাড়া আর কোনো সহায় সম্বল নাই। আমরা যাবো কোথায়, আমাদের যাওয়ার আর কোনো যায়গা নাই। জমি থেকে উচ্ছেদ করতে যেভাবে মজিবর আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতেছে। কোর্টে হাজিরা দিতে দিতে তাতে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। অর্থভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন করছি। এমন অবস্থা হয়েছে বর্তমানে আমাদের দুই পরিবারের সদস্যদের অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। আমরা আমাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দরভাবে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। মজিবর রহমান মাস্টারের হয়রানি ও অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

এ বিষয়ে মজিবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, আমি ও আমার ভাইয়ের নামে আমতলী ভূমি অফিস থেকে ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত নিয়েছি। তথ্য গোপন করে কিভাবে জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

 

 

আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাজমুল ইসলাম এ বিষয়ে মুঠোফোনে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বরগুনায় বাপ-দাদার ভিটে থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা!

প্রকাশের সময় : 08:41:59 pm, Thursday, 20 January 2022

আমতলী প্রতিনিধি॥ বরগুনার আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ওয়াবদা মিঠাবাজার সড়কে দুটি হিন্দু পরিবারকে তাদের বাপ-দাদার ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বর্তমানে উচ্ছেদ আতংকে দুই পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌরশহরের ৪নং ওয়ার্ডের মিঠাবাজার এলাকার মৃত্যু স্বপন দাসের পুত্র সঞ্জীব দাস ও তার চাচা রূপক দাস বাপ-দাদা থেকে পূর্ব-পুরুষরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে ৮ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তারা শান্তিতে বসবাস করলেও বিপত্তি বাধায় ওই এলাকার প্রভাবশালী মো. মজিবুর রহমান ও তার ভাই শাহাবুদ্দিন।

 

 

তারা সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের কোটি টাকা মূল্যের জমি বন্দোবস্ত নীতিমালা অমান্য করে, ভূমি অফিসের কাছে তথ্য গোপন করে ও অসত্য তথ্য দিয়ে ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন।

 

 

মজিবর রহমান এবং তার ভাই শাহাবুদিনের নামে আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী মৌজার জেএল নং ২৯ খতিয়ান নং ৪৩০ ও ৪২৭ এর ১৬১৬, ১৭১৫, ১৭৫১, ১৮০৪, ১৮০৫, ১৮০৬, ১৮০৭ নং দাগে ২.৫৬ একর জমি রয়েছে ও আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কোটি টাকা মূল্যের রের্কডিও সম্পত্তি রয়েছে। তারপরেও দুই ভাইয়ের নামে ১০ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে।

 

 

অভিযোগকারী সঞ্জীব দাস ও তার চাচা রূপক দাসের পিতা ও দাদা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওই জমিতে টিনশেড ঘর তুলে বসবাস করছেন। তাদের ওই ঘরের পিছনেই মজিবুর রহমান মাস্টার মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১নং সরকারি খাস খতিয়ানের যে কোটি টাকা মূল্যের জমি বন্দোবস্ত নিয়েছে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করছেন। কিন্তু নির্মাণাধীন ভবনে যাওয়ার জন্য সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের ঘর দুটি না থাকলে তার অনেক জন্য সুবিধা হয়। এজন্য মজিবুর রহমান একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। ওই সংখ্যালঘু পরিবার দুটি অসহায় ও গরিব তারা মজিবর রহমান মাস্টারের দেওয়া মামলায় হাজিরা দিতে দিতে অর্থভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন করছেন। এমন অবস্থা হয়েছে বর্তমানে পরিবার দুটি অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন। অপরদিকে মজিবুর রহমান তার পুত্র মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, তার স্ত্রী কহিনুর বেগম এবং তার ভাইয়ের স্ত্রী ছকিনা বেগমের অব্যাহত হুমকিতে তারা ওই জমি থেকে উচ্ছেদ আতংকে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বসবাস করছেন।

 

 

২০০৭ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডরে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের বসবাস করার ঘর দুটো ভেঙে একাকার হয়ে গেলেও মজিবুর মাস্টারের অব্যহত হুমকিতে ওই ঘরের কোনো কাজ করতে পারেনি। সেই ভাঙ্গাচুরা ঘরে সঞ্জীব দাস ও রূপক দাস পরিবার-পরিজন নিয়ে দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

 

 

পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রিয়াজ উদ্দিন উদ্দিন মৃধা মুঠোফোনে বলেন, আমরা ছোট্টকাল থেকে দেখে আসছি সঞ্জীব দাস ও রূপক দাসের পরিবার এখানে বসবাস করে আসছে। মজিবর রহমান তার সুবিধার জন্য হিন্দু পরিবার দুটিকে উচ্ছেদের জন্য পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। গায়ের জোরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হিন্দু পরিবার দুটি যাতে ইচ্ছা করে অন্যাত্র চলে যায় তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এ ছাড়া মজিবর রহমান কোনো শালিস ও বিচার ব্যবস্থাও মানেন না।

 

 

আমতলী হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার মজুমদার মুঠোফোনে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে সঞ্জীব দাস, রূপক দাসের পরিবার ওই জমিতে বসবাস করে আসছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জমি ইজারা নিয়ে তারা ওখানে বসবাস করছেন। সেখানে মজিবর যেভাবে হিন্দু পরিবার দুটিকে হয়রানি করছেন তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

 

সঞ্জীব দাস ও রূপক দাস বলেন, আমাদের এই ভিটি দুটি ছাড়া আর কোনো সহায় সম্বল নাই। আমরা যাবো কোথায়, আমাদের যাওয়ার আর কোনো যায়গা নাই। জমি থেকে উচ্ছেদ করতে যেভাবে মজিবর আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতেছে। কোর্টে হাজিরা দিতে দিতে তাতে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। অর্থভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন করছি। এমন অবস্থা হয়েছে বর্তমানে আমাদের দুই পরিবারের সদস্যদের অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। আমরা আমাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দরভাবে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। মজিবর রহমান মাস্টারের হয়রানি ও অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

এ বিষয়ে মজিবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, আমি ও আমার ভাইয়ের নামে আমতলী ভূমি অফিস থেকে ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত নিয়েছি। তথ্য গোপন করে কিভাবে জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

 

 

আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাজমুল ইসলাম এ বিষয়ে মুঠোফোনে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।