বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষার দাবি,সংখ্যালঘু আট রাখাইন পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:11:23 pm, Saturday, 27 July 2019
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




তানজিল জামান জয়,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ।।  ছোট-বালিয়াতলী মৌজার এসএ ১৯৫ নম্বর খতিয়ানের ২৫ একর ৪০ শতক জমির রেকর্ডীয় মালিক আমার বাবা সিলাফ্রু মগ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এখন আমরা আট ভাই এ জমির মালিক।

ওয়ারিশসুত্রে এ জমি আমরা ভোগদখল করে আসছি। এখন কিছু জমি ব্রিক্রির জন্য সাইনবোর্ড দিয়েছি। এনিয়ে অপর ১৫১ ও ৭৮ নম্বর খতিয়ানের জমির মালিকরা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিজেদের দাবি করে ভুয়া অভিযোগ করেছেন।

রাখাইন পল্লী কোম্পানিপাড়ার সংখ্যালঘু আট রাখাইন পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন দবি করেছেন রাখাইন অংচোলা মাদবর।

তিনি লিখিত বক্তব্যে এ ছাড়াও অভিযোগ করে বলেন, কলাপাড়া পৌরশহরের বাসিন্দা মনোজ কুমার দাস, পংকজ কুমার দাস, দুলাল কুমার দাস, বিভাস কুমার দাস, বিকাশ কুমার দাস তাদের হয়রানির জন্য মিথ্যামিথ্যি অভিযোগ করেছেন। আমরা যে খতিয়ানের জমির মালিক তার সঙ্গে মনোজ কুমার দাসের দাবিকৃত জমি নাই।

সিলাফ্রু মগ ও নিলাউ মগ দু’জন ভিন্ন লোক। তাদের জমিজমাও ভিন্ন ভিন্ন রয়েছে। অংচোলা আরও বলেন, তাদের পৈত্রিক জমির হাল রেকর্ড রয়েছে। খাজনা পরিশোধ করেছেন।

হাল দাখিলা পর্যন্ত রয়েছে। শুধুমাত্র রাখাইন এবং সংখ্যালঘু বিধায় তাদের জমিজমা জবর-দখল করতে ওই পক্ষ মরিয়া হয়ে লেগেছে। তারা আট ভাইয়ের আট পরিবার এ কারনে নিরাপত্তাহীন রয়েছেন।

অংচোলা আরও দাবি করেন, তাদের পক্ষে কেউ এগিয়ে আসলে তাকেও সন্ত্রাসী অপবাদ দিয়ে হয়রাণি করে আসছেন মনোজ কুমার গং।

বর্তমানে এ জমির মালিকানা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের চারটি পরিবার ও রাখাইন আটটি পরিবার একে অপরকে দায়ী করে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। উভয়পক্ষ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিষয়টি কলাপাড়ার সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষার দাবি,সংখ্যালঘু আট রাখাইন পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : 08:11:23 pm, Saturday, 27 July 2019

তানজিল জামান জয়,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ।।  ছোট-বালিয়াতলী মৌজার এসএ ১৯৫ নম্বর খতিয়ানের ২৫ একর ৪০ শতক জমির রেকর্ডীয় মালিক আমার বাবা সিলাফ্রু মগ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এখন আমরা আট ভাই এ জমির মালিক।

ওয়ারিশসুত্রে এ জমি আমরা ভোগদখল করে আসছি। এখন কিছু জমি ব্রিক্রির জন্য সাইনবোর্ড দিয়েছি। এনিয়ে অপর ১৫১ ও ৭৮ নম্বর খতিয়ানের জমির মালিকরা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিজেদের দাবি করে ভুয়া অভিযোগ করেছেন।

রাখাইন পল্লী কোম্পানিপাড়ার সংখ্যালঘু আট রাখাইন পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন দবি করেছেন রাখাইন অংচোলা মাদবর।

তিনি লিখিত বক্তব্যে এ ছাড়াও অভিযোগ করে বলেন, কলাপাড়া পৌরশহরের বাসিন্দা মনোজ কুমার দাস, পংকজ কুমার দাস, দুলাল কুমার দাস, বিভাস কুমার দাস, বিকাশ কুমার দাস তাদের হয়রানির জন্য মিথ্যামিথ্যি অভিযোগ করেছেন। আমরা যে খতিয়ানের জমির মালিক তার সঙ্গে মনোজ কুমার দাসের দাবিকৃত জমি নাই।

সিলাফ্রু মগ ও নিলাউ মগ দু’জন ভিন্ন লোক। তাদের জমিজমাও ভিন্ন ভিন্ন রয়েছে। অংচোলা আরও বলেন, তাদের পৈত্রিক জমির হাল রেকর্ড রয়েছে। খাজনা পরিশোধ করেছেন।

হাল দাখিলা পর্যন্ত রয়েছে। শুধুমাত্র রাখাইন এবং সংখ্যালঘু বিধায় তাদের জমিজমা জবর-দখল করতে ওই পক্ষ মরিয়া হয়ে লেগেছে। তারা আট ভাইয়ের আট পরিবার এ কারনে নিরাপত্তাহীন রয়েছেন।

অংচোলা আরও দাবি করেন, তাদের পক্ষে কেউ এগিয়ে আসলে তাকেও সন্ত্রাসী অপবাদ দিয়ে হয়রাণি করে আসছেন মনোজ কুমার গং।

বর্তমানে এ জমির মালিকানা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের চারটি পরিবার ও রাখাইন আটটি পরিবার একে অপরকে দায়ী করে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। উভয়পক্ষ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিষয়টি কলাপাড়ার সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে।