পিরোজপুর প্রতিনিধি॥ পিরোজপুর শহরতলী নামাজপুর গ্রামে পরিকল্পিতভাবে একটি মাদ্রাসার মধ্যে নিয়ে ২ গৃহিণীকে মারপিট ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনার পর আহতকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শহরতলী নামাজপুর এলাকার সাকিনা হামিদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার আলী আকসারের ভাতিজা সাইফুল্লাহ (১২) এর সাথে সহপাঠী প্রতিবেশী সেলিম শেখের ছেলে মুুজাহিদ (১২) এর বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারি হয়। এই ঘটনার জের ধরে মাদ্রাসা সুপারের স্ত্রী মিনারা বেগম, ভাই আলী আকবর, ভাইয়ের বউ লাকি বেগম প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পনা করে রাস্তা সংলগ্ন মাদ্রাসার গেটের মধ্যে ওৎ পেতে থাকেন। শুক্রবার ঘটনার সময় মাদ্রাসার গেটের বাইরের রাস্তা দিয়ে মুজাহিদের মা রিনা বেগম যাবার সময় তাকে ধরে এনে মাদ্রাসার মধ্যে নিয়ে গেট বন্ধ করে মারপিট ও নির্যাতন করে। এ সময় ডাক চিৎকার শুনে রিনার ভাইয়ের স্ত্রী ঝুমুর বেগম ঘটনাস্থলে ছুটে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে এলাকাবাসী এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আরিফ জানান, আহত রিনার শরীরে চাপা আঘাত রয়েছে। আমরা তাকে ভর্তি করেছি এবং চিকিৎসা চলছে। তবে ঝুমুরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, আহতরা থানায় এসেছিলেন। তাদের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 

















