সংবাদ শিরোনাম:




পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী সেজে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:08:39 am, Friday, 2 October 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক বাবার মৃত্যুর পর ছেলে ভুয়া শ্রবণ প্রতিবন্ধী কাগজ তৈরি করে পেনশন ভাতার লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ হওয়ায় সংশিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্তে ভুয়া ও জাল জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন।

 

 

উপজেলার সাপলেজা ইউপির চড়কগাছিয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লেহাজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জবেদা খাতুন পেনশন ভোগ করে আসছিলেন। মা জবেদা খাতুনের মৃত্যুর পর তার ছেলে শহীদ হাওলাদার অন্যান্য ৮ ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেন। ২০১২ সাল থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

 

 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষক লেহাজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শহীদ প্রতিবন্ধী নন। অভিযোগ রয়েছে এ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিট অফিসার মজিবর রহমানের যোগসাজশ রয়েছে। তবে তিনি বলেন, আমি কাউকে নিয়ম কানুনের বিষয়ে পরামর্শ দিতেই পারি। তাই বলে যে আমার যোগসাজশ আছে সেটা কীভাবে বুঝবেন?

 

 

অভিযুক্ত শহীদ আত্মগোপনে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমনকি মুঠোফোনটি স্ত্রীর কাছে রেখে যান। এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সাপলেজা ইউপির মাঠকর্মী মো. হুমায়ুন কবীর জানান, চিকিৎসক প্রতিবন্ধীর প্রত্যয়ন দেয়ায় প্রতিবন্ধীর কার্ড ইস্যু করা হয়।

 

 

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আতাউর রহমান জানান, প্রতিবন্ধীর বিষয়টি সঠিক কিনা ডাক্তারি সনদের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ডাক্তারি সনদটি যাচাইয়ের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী সেজে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : 01:08:39 am, Friday, 2 October 2020

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক বাবার মৃত্যুর পর ছেলে ভুয়া শ্রবণ প্রতিবন্ধী কাগজ তৈরি করে পেনশন ভাতার লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ হওয়ায় সংশিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্তে ভুয়া ও জাল জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন।

 

 

উপজেলার সাপলেজা ইউপির চড়কগাছিয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লেহাজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জবেদা খাতুন পেনশন ভোগ করে আসছিলেন। মা জবেদা খাতুনের মৃত্যুর পর তার ছেলে শহীদ হাওলাদার অন্যান্য ৮ ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেন। ২০১২ সাল থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

 

 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষক লেহাজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শহীদ প্রতিবন্ধী নন। অভিযোগ রয়েছে এ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিট অফিসার মজিবর রহমানের যোগসাজশ রয়েছে। তবে তিনি বলেন, আমি কাউকে নিয়ম কানুনের বিষয়ে পরামর্শ দিতেই পারি। তাই বলে যে আমার যোগসাজশ আছে সেটা কীভাবে বুঝবেন?

 

 

অভিযুক্ত শহীদ আত্মগোপনে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমনকি মুঠোফোনটি স্ত্রীর কাছে রেখে যান। এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সাপলেজা ইউপির মাঠকর্মী মো. হুমায়ুন কবীর জানান, চিকিৎসক প্রতিবন্ধীর প্রত্যয়ন দেয়ায় প্রতিবন্ধীর কার্ড ইস্যু করা হয়।

 

 

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আতাউর রহমান জানান, প্রতিবন্ধীর বিষয়টি সঠিক কিনা ডাক্তারি সনদের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ডাক্তারি সনদটি যাচাইয়ের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।