বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




পটুয়াখালীতে কোনো বাড়িতেই যাননি চামড়ার মৌসুমী ক্রেতারা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 04:38:18 pm, Monday, 3 August 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




আরেফিন সহিদ, বাউফল প্রতিনিধি॥ ফড়িয়া বা মৌসুমী চামড়া ক্রেতারা প্রতিবছর ঈদুল আযহার আগের দিন গ্রামের প্রত্যেক বাড়ি ঘুরে ফিরে গরু বা খাসির সাইজ দেখতেন। চামড়া বিক্রির জন্য গৃহস্থদের কাছে ধরনা দিতেন। এ বছর সেই দৃশ্য নেই।

 

 

ঈদুল আযহায় কোনো বাড়িতেই যাননি চামড়ার ফড়িয়া বা মৌসুমী ক্রেতারা। তাই বাধ্য হয়ে কোরবানির পর চামড়া নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। আবার অনেকে স্থানীয় এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে চামড়া দান করে দিয়েছেন।

 

 

 

এতিমখানা কর্তৃপক্ষ পরিবহন খরচ দিয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়ে চামড়া বিক্রি করেছেন। ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায় প্রতিটি গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। খাসির চামড়ার কোনো দাম নেই।

 

 

নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী গ্রামের শহিদুল ইসলাম (চুন্নু) হাওলাদার কোরবানির গরু কিনেছেন ৮৩ হাজার টাকায়। আগে এমন সাইজের একটি গরুর চামড়া অন্তত ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকায় বিক্রি করতে পারলেও এবার ক্রেতা না থাকায় তা কেটে অংশিদারদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন।

 

 

একই বাড়ির আজাহার হাওলাদার ও আব্দুল মন্নান মাস্টার বিক্রি করতে না পেরে চামড়া খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছেন।

 

 

কেশবপুর ইউনিয়নের মেহেন্দিপুর গ্রামের প্রভাষক ফরিদুর রহমান জানান, প্রতিবার পশু জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ছুটে আসতেন। এবার চামড়া নিয়ে অপেক্ষা করেও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে কোরবানির গরুর চামড়া পাশের তাহফিজুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় দিয়েছি।

 

 

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় শুনেছি চামড়া নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। কিন্তু এবার পশু কোরবানির চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

 

 

বাউফল পৌরশহরের ঋষিবাড়ির চামড়া ব্যবসায়ী রাধেশ্যাম বলেন, গত ৯ বছর ধরে শুধু লোকসান দিয়ে আসছি। লাভের মুখে দেখিনি। এখন চামড়া কিনতে ভয় পাচ্ছি। কয়েকটি এতিম খানা থেকে প্রায় ১০০০ চামড়া দিয়ে গেছে। সাইজ ও কোয়ালিটি দেখে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি চামড়ার দাম পরিশোধ করেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই ঢাকায় পাঠিয়ে দেব।

 

 

অপর ব্যবসায়ী মানিক জানান, বাউফলের কালাইয়া, নওমালা, বগা, কালিশুরী, কাছিপাড়া ও গাজিমাঝি এলাকায় বেশ কয়েকজন চামড়া ব্যবসায়ী আছেন। এরা প্রতিবছর নাটোর ও ঢাকা লালবাগ এলাকার আড়তদারদের কাছে চামড়া বিক্রি করেন। চামড়া নেয়ার পর আড়তদাররা নগদ টাকা পরিশোধ করেন না। মাসের পর মাস চালান আটকে থাকায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। যে কারণে চামড়া কিনতে অনীহা তৈরি হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

পটুয়াখালীতে কোনো বাড়িতেই যাননি চামড়ার মৌসুমী ক্রেতারা

প্রকাশের সময় : 04:38:18 pm, Monday, 3 August 2020

আরেফিন সহিদ, বাউফল প্রতিনিধি॥ ফড়িয়া বা মৌসুমী চামড়া ক্রেতারা প্রতিবছর ঈদুল আযহার আগের দিন গ্রামের প্রত্যেক বাড়ি ঘুরে ফিরে গরু বা খাসির সাইজ দেখতেন। চামড়া বিক্রির জন্য গৃহস্থদের কাছে ধরনা দিতেন। এ বছর সেই দৃশ্য নেই।

 

 

ঈদুল আযহায় কোনো বাড়িতেই যাননি চামড়ার ফড়িয়া বা মৌসুমী ক্রেতারা। তাই বাধ্য হয়ে কোরবানির পর চামড়া নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। আবার অনেকে স্থানীয় এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে চামড়া দান করে দিয়েছেন।

 

 

 

এতিমখানা কর্তৃপক্ষ পরিবহন খরচ দিয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়ে চামড়া বিক্রি করেছেন। ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায় প্রতিটি গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। খাসির চামড়ার কোনো দাম নেই।

 

 

নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী গ্রামের শহিদুল ইসলাম (চুন্নু) হাওলাদার কোরবানির গরু কিনেছেন ৮৩ হাজার টাকায়। আগে এমন সাইজের একটি গরুর চামড়া অন্তত ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকায় বিক্রি করতে পারলেও এবার ক্রেতা না থাকায় তা কেটে অংশিদারদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন।

 

 

একই বাড়ির আজাহার হাওলাদার ও আব্দুল মন্নান মাস্টার বিক্রি করতে না পেরে চামড়া খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছেন।

 

 

কেশবপুর ইউনিয়নের মেহেন্দিপুর গ্রামের প্রভাষক ফরিদুর রহমান জানান, প্রতিবার পশু জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ছুটে আসতেন। এবার চামড়া নিয়ে অপেক্ষা করেও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে কোরবানির গরুর চামড়া পাশের তাহফিজুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় দিয়েছি।

 

 

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় শুনেছি চামড়া নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। কিন্তু এবার পশু কোরবানির চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

 

 

বাউফল পৌরশহরের ঋষিবাড়ির চামড়া ব্যবসায়ী রাধেশ্যাম বলেন, গত ৯ বছর ধরে শুধু লোকসান দিয়ে আসছি। লাভের মুখে দেখিনি। এখন চামড়া কিনতে ভয় পাচ্ছি। কয়েকটি এতিম খানা থেকে প্রায় ১০০০ চামড়া দিয়ে গেছে। সাইজ ও কোয়ালিটি দেখে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি চামড়ার দাম পরিশোধ করেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই ঢাকায় পাঠিয়ে দেব।

 

 

অপর ব্যবসায়ী মানিক জানান, বাউফলের কালাইয়া, নওমালা, বগা, কালিশুরী, কাছিপাড়া ও গাজিমাঝি এলাকায় বেশ কয়েকজন চামড়া ব্যবসায়ী আছেন। এরা প্রতিবছর নাটোর ও ঢাকা লালবাগ এলাকার আড়তদারদের কাছে চামড়া বিক্রি করেন। চামড়া নেয়ার পর আড়তদাররা নগদ টাকা পরিশোধ করেন না। মাসের পর মাস চালান আটকে থাকায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। যে কারণে চামড়া কিনতে অনীহা তৈরি হয়েছে।