মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর সহিংসতায় জড়িতদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন-পূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমসংক্রান্ত বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, যারা সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত—তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।” তিনি জানান, আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা অপকর্ম করেছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
দুপুর আড়াইটার পর নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। বৈঠকে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনী পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে এখন থেকেই মাঠপর্যায়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলবে। এই অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
এর আগে দুপুর ১২টায় নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বাহিনীগুলোর প্রস্তুতি, সমন্বয় এবং দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, যৌথ বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করবে। একই সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।
Leave a Reply