বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে বড় আইনি পরিবর্তন

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:52:04 am, Monday, 26 January 2026
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ শীর্ষক এই অধ্যাদেশের গেজেট রোববার রাতে প্রকাশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলা দায়েরও করা যাবে না।

গত ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদিত হয়েছিল।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলে, সেটিই জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ওই সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল করা অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

এই বাস্তবতায় সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের আলোকে গণঅভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশটি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে মামলা থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকারনিযুক্ত আইনজীবীর প্রত্যয়নসহ আদালতে আবেদন করতে হবে। আদালত আবেদন গ্রহণের পর মামলাটি প্রত্যাহৃত হিসেবে গণ্য করবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতি পাবেন।

তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন অভিযোগ তদন্ত করবে। তদন্তে যদি দেখা যায়, অভিযোগটি বিশৃঙ্খলার সুযোগে অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, তাহলে কমিশন আদালতে প্রতিবেদন দেবে। আদালত সেটিকে পুলিশ প্রতিবেদনের মতো বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবে।

আর যদি কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয়, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে কমিশন। এ ক্ষেত্রে আদালতে কোনো মামলা বা অন্য কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

এছাড়া অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে বড় আইনি পরিবর্তন

প্রকাশের সময় : 11:52:04 am, Monday, 26 January 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ শীর্ষক এই অধ্যাদেশের গেজেট রোববার রাতে প্রকাশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলা দায়েরও করা যাবে না।

গত ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদিত হয়েছিল।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলে, সেটিই জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ওই সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল করা অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

এই বাস্তবতায় সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের আলোকে গণঅভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশটি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে মামলা থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকারনিযুক্ত আইনজীবীর প্রত্যয়নসহ আদালতে আবেদন করতে হবে। আদালত আবেদন গ্রহণের পর মামলাটি প্রত্যাহৃত হিসেবে গণ্য করবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতি পাবেন।

তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন অভিযোগ তদন্ত করবে। তদন্তে যদি দেখা যায়, অভিযোগটি বিশৃঙ্খলার সুযোগে অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, তাহলে কমিশন আদালতে প্রতিবেদন দেবে। আদালত সেটিকে পুলিশ প্রতিবেদনের মতো বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবে।

আর যদি কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয়, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে কমিশন। এ ক্ষেত্রে আদালতে কোনো মামলা বা অন্য কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

এছাড়া অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।