জিরো টলারেন্স নীতিতে জাল ভোট দমনে ইসি, তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার Latest Update News of Bangladesh

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা সাত দিনে চার দফা কমলো স্বর্ণের দাম নৌ অবরোধ ঘিরে উত্তেজনা, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর ২০২৬-২৭ বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ




জিরো টলারেন্স নীতিতে জাল ভোট দমনে ইসি, তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার

জিরো টলারেন্স নীতিতে জাল ভোট দমনে ইসি, তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোট সামনে রেখে জাল ভোট ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে জাল ভোট প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছে কমিশন।

ভোটাধিকার গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটাধিকার অপব্যবহার হলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশে জাল ভোট প্রদান, অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া, ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কিংবা এসব কাজে সহায়তা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

জাল ভোট বলতে এমন পরিস্থিতিকে বোঝায়, যেখানে প্রকৃত ভোটারের স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্ত ইচ্ছা অনুপস্থিত থাকে। যেমন—অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া, ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ব্যালট বা ইভিএমে ভোট পড়ে যাওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে বাধ্য করা, কিংবা একজন ব্যক্তির একাধিকবার ভোট দেওয়া। এসব কার্যক্রম নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য।

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন নির্বাচনকে ঘিরে জাল ভোটের অভিযোগ উঠেছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থাহীনতা সৃষ্টি করেছে। আসন্ন নির্বাচন ঘিরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জাল ভোটের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। তবে ইসি জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক মামলা ও গ্রেপ্তারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৭৩ থেকে ৮৭ অনুচ্ছেদে ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণ ও অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। দায়িত্বরত নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

আইনের ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রার্থীর পক্ষে সরকারি কর্মচারীর সহায়তা নেওয়া বা প্ররোচিত করা, অযোগ্য জেনেও ভোট দেওয়া, একাধিকবার ভোট দেওয়া, একাধিক কেন্দ্রে ভোট দেওয়া, ভোট চলাকালে ব্যালট পেপার সরিয়ে ফেলা কিংবা অন্যকে এসব কাজে প্ররোচিত করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নির্বাচন কমিশনের মতে, জাল ভোট শুধু অনৈতিক নয়, এটি ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে একজন ব্যক্তি নিজের ভবিষ্যৎও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারেন। কমিশন সকল ভোটারকে আইন মেনে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD