ক্যাসিনোকাণ্ডে আয়েশা আক্তারকে খালাস, জি কে শামীমের কারাদন্ড Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:




ক্যাসিনোকাণ্ডে আয়েশা আক্তারকে খালাস, জি কে শামীমের কারাদন্ড

ক্যাসিনোকাণ্ডে আয়েশা আক্তারকে খালাস, জি কে শামীমের কারাদন্ড




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাঁচ বছর ৬ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার মা আয়েশা আক্তারকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত শামীমকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দিয়েছেন, অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এ ছাড়া, শামীমের ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অপরদিকে, শামীমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে এ অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকেও খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জি কে শামীম ২০১৮-২০১৯ করবর্ষে ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জন করেন, যার বৈধ উৎস দুদক খুঁজে পায়নি। তার বাসা থেকে উদ্ধার করা নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, শামীম ও তার মায়ের নামে ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার, শেয়ার, গাড়ি এবং আরও বিভিন্ন অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎসও শনাক্ত হয়নি।

এই মামলায় ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ অভিযোগ দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, এবং ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আদালত মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।

দুদক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। আমরা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি, তবে আদালত তাকে ওই অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন। কমিশন আপিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD