সংবাদ শিরোনাম:




“কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগের বিরুদ্ধে কলাপাড়ার পাঁচ ভূমিহীন পরিবারের অভিযোগ”

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:12:47 pm, Saturday, 21 September 2019
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




তানজিল জামান জয়,কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।  যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগের বিরুদ্ধে পাঁচ পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ইনারা বেগম। তবে যুবলীগ নেতা সোহাগ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ইনারা বেগমের অভিযোগ, পাঁচটি বন্দোবস্ত কেসের মাধ্যমে সরকার তাদের এই সাড়ে সাত একর জমি বন্দোবস্ত দেয় এবং তারা ওই জমিতে বসবাসকরাসহ চাষাবাদ করে আসছিলেন। যার প্রকৃত মালিক তাঁরা পাঁচটি পরিবার। যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে শামিম আল সাইফুল সোহাগ সোনাপাড়া মৌজার ১নং খাস থতিয়ান ৩১৯১/৩১৯২নং দাগের পাঁচ একর জমি ভূমি অফিসকে ভুল বুজাইয়া ডিসিআর নিয়ে মাছের ঘের করে। সাত বছর পূর্বে তাঁর ডিসিআরের মেয়াদ শেষ হলে তিঁনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁদের জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদ করায় ঢাকা,পটুয়াখালী ও কলাপাড়ায় তাদের নামে ১১টি মামলা করা হয় হয়রানী করার জন্য।

তাঁদের অভিযোগ, আদালত তাদের দখলে থাকা জমিতে কাউকে অনুপ্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলেও যুবলীগ নেতা সোহাগ তাদের জমির উপর বাঁধদিয়ে জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি করে। এ জলাবদ্ধতা নিরসনে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তাঁর নির্দেশে সরেজমিনে সত্যতা পেয়ে ভূমি কর্মকর্তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাঁধ কেটে তাঁদের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জনৈক মাকিত হোসেনকে বাদী বানিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভূমিহীন নুর ছায়েদ হাওলাদার, তহশিলদার কামরুল ইসলাম,সোহেল, নোয়াব আলী, নুর মোহাম্মদ, নুর ইসলাম, ও ইনারা বেগমকে আসামী কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

ইনারা বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারগুলোর আর্তি, যুবলীগ নেতা হওয়ায় তার সন্ত্রাসী বাহিনী মাকিত, রিপন, মাসুদ ও খলিল বহিনী দিয়ে তাঁদের প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। একেরপরএক মামলা দিয়ে হয়রানী করছে শুধু জমি দখলের জন্য। তাঁরা যুবলীগ নেতা সোহাগের রোষানল থেকে মৃক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগ, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিঁনি ওই পাঁচ পরিবারের জমিতে কোন ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

“কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগের বিরুদ্ধে কলাপাড়ার পাঁচ ভূমিহীন পরিবারের অভিযোগ”

প্রকাশের সময় : 06:12:47 pm, Saturday, 21 September 2019

তানজিল জামান জয়,কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।  যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগের বিরুদ্ধে পাঁচ পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ইনারা বেগম। তবে যুবলীগ নেতা সোহাগ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ইনারা বেগমের অভিযোগ, পাঁচটি বন্দোবস্ত কেসের মাধ্যমে সরকার তাদের এই সাড়ে সাত একর জমি বন্দোবস্ত দেয় এবং তারা ওই জমিতে বসবাসকরাসহ চাষাবাদ করে আসছিলেন। যার প্রকৃত মালিক তাঁরা পাঁচটি পরিবার। যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে শামিম আল সাইফুল সোহাগ সোনাপাড়া মৌজার ১নং খাস থতিয়ান ৩১৯১/৩১৯২নং দাগের পাঁচ একর জমি ভূমি অফিসকে ভুল বুজাইয়া ডিসিআর নিয়ে মাছের ঘের করে। সাত বছর পূর্বে তাঁর ডিসিআরের মেয়াদ শেষ হলে তিঁনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁদের জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদ করায় ঢাকা,পটুয়াখালী ও কলাপাড়ায় তাদের নামে ১১টি মামলা করা হয় হয়রানী করার জন্য।

তাঁদের অভিযোগ, আদালত তাদের দখলে থাকা জমিতে কাউকে অনুপ্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলেও যুবলীগ নেতা সোহাগ তাদের জমির উপর বাঁধদিয়ে জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি করে। এ জলাবদ্ধতা নিরসনে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তাঁর নির্দেশে সরেজমিনে সত্যতা পেয়ে ভূমি কর্মকর্তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাঁধ কেটে তাঁদের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জনৈক মাকিত হোসেনকে বাদী বানিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভূমিহীন নুর ছায়েদ হাওলাদার, তহশিলদার কামরুল ইসলাম,সোহেল, নোয়াব আলী, নুর মোহাম্মদ, নুর ইসলাম, ও ইনারা বেগমকে আসামী কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

ইনারা বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারগুলোর আর্তি, যুবলীগ নেতা হওয়ায় তার সন্ত্রাসী বাহিনী মাকিত, রিপন, মাসুদ ও খলিল বহিনী দিয়ে তাঁদের প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। একেরপরএক মামলা দিয়ে হয়রানী করছে শুধু জমি দখলের জন্য। তাঁরা যুবলীগ নেতা সোহাগের রোষানল থেকে মৃক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগ, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিঁনি ওই পাঁচ পরিবারের জমিতে কোন ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন না।