৪ জন দিয়ে চলছে কাউখালী প্রাণিসম্পদ অফিস !

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 07:27:43 pm, Saturday, 3 November 2018
  • 48 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক:পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসের ১১টি পদের মধ্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ ৭টি পদ দীর্ঘদিন শূণ্য থাকায় গবাদি পশুর চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ অফিসে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে একজন ভেটিনারী সার্জন দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২০১২ সালের ১৪ই এপ্রিল প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সেলিম উল্লাহ্ বদলী হয়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূণ্য রয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় উপকরণ, ওষুধ ও চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের কারণে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার হাঁস-মুরগি, গরু মহিষ ছাগল, ভেড়া, কবুতর ও কোয়েল খামারের মালিকরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলা অফিসে মোট ১১টি পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছে মাত্র ৪ জন। শূণ্যপদগুলো হলো প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ সহকারী-১ জন, ভিএফএ ১ জন, কৃত্তিম প্রজননকারী ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন, ড্রেসার ১ জন, এমএলএসএস ১ জন।

এছাড়া ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে অফিসের মূল্যবান কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং বাউন্ডারী ওয়াল না থাকায় অবাধে গরু-ছাগল প্রবেশ করে অফিসের পরিবেশ নষ্ট করছে। অফিসটি নিচু জায়গায় হওয়ায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে সামান্য একটু বেশি পানি এলেই অফিসের ভিতরে পানি প্রবেশ করে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে কর্তব্যরত ভেটিনারী সার্জন ডাঃ শহিদুজ্জামান জানান জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবায় স্থবিরতা বিরাজ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

৪ জন দিয়ে চলছে কাউখালী প্রাণিসম্পদ অফিস !

প্রকাশের সময় : 07:27:43 pm, Saturday, 3 November 2018

অনলাইন ডেস্ক:পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসের ১১টি পদের মধ্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ ৭টি পদ দীর্ঘদিন শূণ্য থাকায় গবাদি পশুর চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ অফিসে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে একজন ভেটিনারী সার্জন দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২০১২ সালের ১৪ই এপ্রিল প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সেলিম উল্লাহ্ বদলী হয়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূণ্য রয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় উপকরণ, ওষুধ ও চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের কারণে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার হাঁস-মুরগি, গরু মহিষ ছাগল, ভেড়া, কবুতর ও কোয়েল খামারের মালিকরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলা অফিসে মোট ১১টি পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছে মাত্র ৪ জন। শূণ্যপদগুলো হলো প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ সহকারী-১ জন, ভিএফএ ১ জন, কৃত্তিম প্রজননকারী ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন, ড্রেসার ১ জন, এমএলএসএস ১ জন।

এছাড়া ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে অফিসের মূল্যবান কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং বাউন্ডারী ওয়াল না থাকায় অবাধে গরু-ছাগল প্রবেশ করে অফিসের পরিবেশ নষ্ট করছে। অফিসটি নিচু জায়গায় হওয়ায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে সামান্য একটু বেশি পানি এলেই অফিসের ভিতরে পানি প্রবেশ করে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে কর্তব্যরত ভেটিনারী সার্জন ডাঃ শহিদুজ্জামান জানান জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবায় স্থবিরতা বিরাজ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।