বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ এক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের খাসকক্ষেই প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা নির্বাচন কমিশনের প্রচলিত প্রথা—এ ধারাবাহিকতাতেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎ শেষে সিইসি জানান, “আমরা নির্বাচনের ট্রেনে চড়েছি। এবার আর পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। চলতি সপ্তাহেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।” তিনি জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ করার স্বার্থে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগে বিচার বিভাগের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে এবং ৩০০ বিচারক নিয়োগের প্রস্তাব প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, “প্রধান বিচারপতি শিগগিরই অবসরে যাচ্ছেন। আমরা দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করেছি। তাই এটি মূলত ফেয়ারওয়েল কল ছিল। এর বাইরে অন্য কোনো আলোচ্য ছিল না।” আগামী ২৭ ডিসেম্বর বয়স ৬৭ পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এর আগে তিনি ১৪ ডিসেম্বর দেশের বিচারকদের উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেবেন।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সিইসির ভাষণ ১০ ডিসেম্বর বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে রেকর্ড করা হবে। তিনি আরও জানান, বুধবার সন্ধ্যা কিংবা ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনাররা বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় সাক্ষাৎ করবেন। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই সাক্ষাৎ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে থাকে নির্বাচন কমিশন।
Leave a Reply