সংবাদ শিরোনাম:




“মহিপুরের সড়ক চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর”

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 07:59:02 pm, Tuesday, 2 October 2018
  • 86 সংবাদটি দেখা হয়েছে




আরিফ বিল্লাহ নাছিম,কলাপাড়া (কুয়াকাটা) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মহিপুরের সদর ইউনিয়নের মহিপুর বাজার হতে নজিবপুর এবং কাটাভারানী পর্যন্ত প্রায় ১০কি.মি. সড়ক চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় থাকায় প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের চলমান এ ভোগান্তি নিরসনে এলকাবাসী দাবী জানিয়ে সমস্যার সমাধানে উদাসীন সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ। এমন দাবী ভূক্তোভোগী মানুষের।

সরজমিনে দেখা যায়, মহিপুর বাজার হতে কাটাভারানি পর্যন্ত ৫কি.মি বেবিবাধ সড়ক দিয়ে মহিপুর, বিপিনপুর, সেরাজপুর, লতিফপুর, নিজ শিববাড়িয়া, কাটাভারানি ও পার্শ্ববর্তী ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ মহিপুর থানা সদরে যাতায়াত করে থাকে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে মাটি ক্ষয়ে সৃস্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। এ সড়কের মহিপুর বাজার হতে প্রায় ২কি.মি. ইট বিছানো ছিল। বর্তমানে তার চিহ্ন পর্যন্ত নেই। সামান্য বৃষ্টিতে কাদামাটিতে একাকার হয়ে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। একই অবস্থা মহিপুর বাজার হতে নজিবপুর পর্যন্ত প্রায় ৫কি.মি. সড়কের।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেবিবাধ এ সড়কের অধিকাংশ জায়গায় মাটি ক্ষয়ের ফলে বাধঁ হয়ে পড়েছে অপ্রশস্থ। স্থানীয়রা জানায়, বেড়িবাঁধের স্লোপে বসবাসকারী মানুষ তাদের প্রয়োজনে বেড়িবাঁধ থেকে মাটি কেটে নেয়ার ফলে এ দশায় পরিনত হয়েছে। এছাড়াও বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর থেকে কোন সংস্কার কাজ না হওয়ায় চলাচলের উপযোগীতা হারানোসহ ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এ বেড়িবাঁধ সড়ক। বর্ষা হলে রাস্তাটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়।রাস্তার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন হবে এমন প্রত্যাশায় এলাকাবাসী জানান, জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি পাকাকরণের কথা বললেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ. সালাম আকন বলেন, এসব সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আ. মন্নান জানান, বেড়িবাঁধগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। পানি উন্নয় বোর্ডের আওতায় এসব বেরিবাধ উচুকরণের কাজ চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী-দেবর আটক

“মহিপুরের সড়ক চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর”

প্রকাশের সময় : 07:59:02 pm, Tuesday, 2 October 2018

আরিফ বিল্লাহ নাছিম,কলাপাড়া (কুয়াকাটা) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মহিপুরের সদর ইউনিয়নের মহিপুর বাজার হতে নজিবপুর এবং কাটাভারানী পর্যন্ত প্রায় ১০কি.মি. সড়ক চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় থাকায় প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের চলমান এ ভোগান্তি নিরসনে এলকাবাসী দাবী জানিয়ে সমস্যার সমাধানে উদাসীন সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ। এমন দাবী ভূক্তোভোগী মানুষের।

সরজমিনে দেখা যায়, মহিপুর বাজার হতে কাটাভারানি পর্যন্ত ৫কি.মি বেবিবাধ সড়ক দিয়ে মহিপুর, বিপিনপুর, সেরাজপুর, লতিফপুর, নিজ শিববাড়িয়া, কাটাভারানি ও পার্শ্ববর্তী ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ মহিপুর থানা সদরে যাতায়াত করে থাকে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে মাটি ক্ষয়ে সৃস্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। এ সড়কের মহিপুর বাজার হতে প্রায় ২কি.মি. ইট বিছানো ছিল। বর্তমানে তার চিহ্ন পর্যন্ত নেই। সামান্য বৃষ্টিতে কাদামাটিতে একাকার হয়ে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। একই অবস্থা মহিপুর বাজার হতে নজিবপুর পর্যন্ত প্রায় ৫কি.মি. সড়কের।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেবিবাধ এ সড়কের অধিকাংশ জায়গায় মাটি ক্ষয়ের ফলে বাধঁ হয়ে পড়েছে অপ্রশস্থ। স্থানীয়রা জানায়, বেড়িবাঁধের স্লোপে বসবাসকারী মানুষ তাদের প্রয়োজনে বেড়িবাঁধ থেকে মাটি কেটে নেয়ার ফলে এ দশায় পরিনত হয়েছে। এছাড়াও বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর থেকে কোন সংস্কার কাজ না হওয়ায় চলাচলের উপযোগীতা হারানোসহ ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এ বেড়িবাঁধ সড়ক। বর্ষা হলে রাস্তাটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়।রাস্তার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন হবে এমন প্রত্যাশায় এলাকাবাসী জানান, জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি পাকাকরণের কথা বললেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ. সালাম আকন বলেন, এসব সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আ. মন্নান জানান, বেড়িবাঁধগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। পানি উন্নয় বোর্ডের আওতায় এসব বেরিবাধ উচুকরণের কাজ চলমান রয়েছে।