পিরোজপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট বিক্রি করে দিলেন কর্মকর্তা Latest Update News of Bangladesh

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




পিরোজপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট বিক্রি করে দিলেন কর্মকর্তা

পিরোজপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট বিক্রি করে দিলেন কর্মকর্তা

পিরোজপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট বিক্রি করে দিলেন কর্মকর্তা




পিরোজপুর প্রতিনিধি॥ পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমপার্শ্বের লোহার গেট বিক্রি করে দিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়া এমনকি বিক্রির টাকা হাসপাতাল কোষাগারে জমা না দিয়ে তা নিজেই আত্মসাৎ করেছেন।

 

 

হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালের সামনের প্রধান সড়ক সংস্কার ও উঁচু করণের কাজ চলছে। এ জন্য গত সোমবার ঐ গেট খোলা হয়। পরে তা হাসপাতালের নৈশ প্রহরী মো. কামরুজ্জামানের সহযোগিতায় শ্রমিকরা নিয়ে হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে ঐ হাসপাতালের জুনিয়র মেকানিক মো. মান্নান গাজীর হেফাজতে রাখেন। পরে সেখান থেকে বিক্রি করে দেওয়া হয়। ঐ লোহার গেইটটির ওজন ছিলো প্রায় ৩০০ কেজি।

 

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঐ রাস্তাটি উঁচু ও সংস্কারের কাজ চলছে। আর এ জন্য হাসপাতাল প্রাচীরের ভেতর বালু গিয়ে যাতে নোংরা না হয় সে জন্য হাসপাতারের পশ্চিম পাশের মসজিদ গেটটি খুলে সেখানে ইট দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে।

 

 

হাসপাতালের জুনিয়র মেকানিক মান্নান গাজী বলেন, গেটটি রুমে রাখা ছিলো আর রুমটি তালা মারা ছিল। কিন্তু গত মঙ্গলবার বড় স্যার (ইউএইচএন্ডএফপিও) ডাক্তার ফজলে বারী আমাকে রুম খুলে দিতে বলেন। আমি রুম খুলে দিলে তিনি তা লোক দিয়ে নিয়ে গেছেন। পরে শুনেছি তা বিক্রি করে দিয়েছেন।

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান অফিস সহকারী (হেড ক্লার্ক) মো. আসলাম হোসেন বলেন, খোঁজ নিয়ে জেনেছি গেটটি সেখানে নেই। পরে জানতে পেরেছি তা বিক্রি করে দিয়েছেন স্যার। তবে এর কোনো টাকা কোষাগারে জমা দেননি।

 

 

এ ব্যাপারে জানতে ঐ কর্মকর্তাকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমার বদলির আদেশ হয়েছে। এখন কথা বলা যাবে না’ বলে ফোন কেটে দেন। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার এএইচএম মোস্তফা কায়সার বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমার কিছু জানা নেই। হাসাপাতালের অন্য চিকিৎসকরা না থাকায় আমি নামমাত্র দায়িত্বে আছি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares