ঝালকাঠিতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক Latest Update News of Bangladesh

বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ১০:৩২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




ঝালকাঠিতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

ঝালকাঠিতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

ঝালকাঠিতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক




নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দক্ষিণ কামদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ ও টিনসহ অন্য আসবাবপত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুলটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

 

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। এতে বলা হয়েছে, ‘স্কুলের প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের লোহার বেঞ্চসহ মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা ফৌজদারি দণ্ডবিধির শাস্তিমূলক অপরাধ। বেআইনিভাবে সরকারি মালামাল বিক্রির দায়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার সন্তোষজনক কারণ ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল করতে বলা হলো।’

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়টির মালামাল গত সোমবার বিকেলে নলছিটি গার্লস স্কুল রোডের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলাম। স্কুলের জরাজীর্ণ ও পুরাতন মালামাল প্রকাশ্যে নিলামের কথা থাকলেও তা না করে তিনি ওই মালামাল বিক্রি করে দেন। কত টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

 

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে অনুমোদন নিয়ে ওই মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির টাকা স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।

 

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, নিলাম কমিটিকে অবহিত না করে স্কুলের মালামাল বিক্রি করায় ইতোমধ্যে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে একজন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘটনা সঠিক হলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares