ঝালকাঠিতে এতিমখানার অনিয়মে ক্ষোভ, তদন্ত দাবি স্থানীয়দের Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও উপকূল উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরকারের নতুন ঘোষণা ৩৬ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা পেলেও র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়েছে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া হরমুজ নিরাপত্তায় ইউরোপীয় জোট গঠনের উদ্যোগ নববর্ষের প্রভাতে আশাবাদী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দেখছেন প্রধানমন্ত্রী গণভোট বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন বাড়বে—বিরোধীদলীয় নেতা নলছিটিতে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হরমুজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তু হয়ে ফিরে গেল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ! বাংলাদেশ ভারতের আস্থা ও সহযোগিতা এখন আরও শক্তিশালী: প্রণয় ভার্মা মধ্যপ্রাচ্য সংকট: লেবানন-ইসরায়েল সংঘর্ষে নিহত ৫ নলছিটিতে প্রতিবেশীর ডাকে বের হয়ে প্রাণ হারালেন ইকবাল




ঝালকাঠিতে এতিমখানার অনিয়মে ক্ষোভ, তদন্ত দাবি স্থানীয়দের

ঝালকাঠিতে এতিমখানার অনিয়মে ক্ষোভ, তদন্ত দাবি স্থানীয়দের




ঝালকাঠি প্রতিনিধি ॥ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাহিত্যিক অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন এতিমখানা অনিয়মের অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে ৩৮ জন এতিম এই প্রতিষ্ঠানে বসবাস করছে, কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে মাত্র ৮–১০ জন শিশু সেখানে অবস্থান করছে।

প্রতিবছর এই এতিমখানার নামে বরাদ্দ হয় প্রায় ৯ লাখ ১২ হাজার টাকা। নিয়ম অনুযায়ী, বরাদ্দ পাওয়া এতিমদের দ্বিগুণ সংখ্যক ছাত্র থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজপত্রে দেখানো এতিমদের বেশিরভাগই বাস্তবে নেই, অথচ বরাদ্দের অর্থ নিয়মিত তোলা হচ্ছে।

একজন বাবুর্চি জানিয়েছেন, “আমি প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাতজনের জন্য রান্না করি। কিন্তু কাগজে নাম দেখানো হয়েছে ডজনখানেকের।”

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এতিমদের নামে আসা টাকা ব্যয় হচ্ছে প্রশাসনিক খরচ, ভবন নির্মাণ এবং বেতন মেটাতে। শিশুদের খাবার, পোশাক কিংবা শিক্ষায় ব্যয় করা হচ্ছে খুবই সামান্য।

একজন অভিভাবক বলেন, “বেশিরভাগ সময় ভবন ফাঁকা থাকে। অথচ কাগজে দেখানো হয় সব শিশু এখানে থেকে পড়াশোনা করছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল জানান, এতিম সংখ্যা কম থাকার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেন, “ছাত্ররা নিয়মিত থাকে না, অনেক সময় বাড়ি চলে যায়। তাই বর্তমানে সংখ্যা কাগজে থাকা সংখ্যার চেয়ে কম।”

সচেতন মহলের দাবি, প্রকৃত এতিমদের অধিকার রক্ষায় তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। একইসাথে এতিমখানার অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD