চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল Latest Update News of Bangladesh

শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল

চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল

চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল




বরগুনা প্রতিনিধি॥ প্রায় ১২ লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল। অথচ সেই হাসপাতাল ধুঁকছে চিকিৎসক সংকটে। যেখানে চিকিৎসক থাকার কথা ৪৩ জন সেখানে চিকিৎসক আছে মাত্র ৬ জন। এতে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

 

হাসপাতালের ৫০ শয্যার করোনা ওয়ার্ড সামলাতে অন্য হাসপাতাল থেকে সাময়িকভাবে ২০ জন চিকিৎসককে আনা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন মাত্র ৬ জন চিকিৎসক। এতে চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

 

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জেলার প্রধান এই হাসপাতালে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৪৩ জনের। এর অনুকূলে আছেন মাত্র ৬ জন। বাকি ৩৭টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এর মধ্যে ২১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদের ১৮টিই শূন্য। আর চিকিৎসা কর্মকর্তার ১৯টি পদের মধ্যে ১৬টি পদ শূন্য। জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ ২১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মধ্যে নাক, কান, গলা, শিশু, গাইনি, প্যাথলজিস্ট, মেডিসিন, চক্ষু, কার্ডিওলোজিস্ট, অ্যানেসথেটিস্ট, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজিস্ট ও সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকের পদ শূন্য। বর্তমানে যে ৬জন চিকিৎসক রয়েছেন তারা হলেন- হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও), একজন হোমিও চিকিৎসক, একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা, সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের কনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ।

 

 

সূত্র জানায়, ১৯৯৭ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও শয্যা আর খাবার ছাড়া কিছু বাড়েনি। এর মধ্যেই ২০১০ সালের মে মাসে হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৮ সালে নতুন ভবনটি উদ্বোধন হওয়ার পর বর্তমানে সেখানে করোনা ইউনিট করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই হাসপাতালে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী ভর্তি থাকেন। এ ছাড়া বহির্বিভাগে সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়। এরপর প্রশাসনিক কাজ, ময়নাতদন্ত, ধর্ষণের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন কাজকর্ম এই ছয়জনকেই সামলাতে হয়। ফলে এতো রোগীর চিকিৎসাসেবা দেওয়া অসাধ্য হয়ে পড়েছে।

 

 

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ভবনে বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ সারি। সেখানে কথা হয় পেটব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা বরগুনা সদরের ফুলতলা গ্রামের গৃহবধূ আকলিমা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকালে আইছি। এহন দুপুর বাজে ১২টা। এত্ত রোগী যে একজন ডাক্তারে দেইখ্যা আউগাইতে পারে না। হ্যারা বা হরবে কী।’

 

 

বুকে ব্যথা নিয়ে একসপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সদরের গৌরিচন্না গ্রামের আমির হোসেন খান (৭০) নামের এক রোগী। তিনি বলেন, ‘এই সাতদিনে ডাক্তার ওয়ার্ডে আইছে তিন দিন। হ্যারপর খবর নাই।

 

 

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহারফ হোসেন বলেন, ‘ছয়জন চিকিৎসকের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীদের সামাল দেওয়া দুরূহ ব্যাপার। আমরা কীভাবে দিচ্ছি, সেটা বলে বোঝাতে পারব না।’

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares